spot_img
spot_img

ইরানের লক্ষ্যবস্তু হতে পারে ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠানগুলো

উপসাগরীয় অঞ্চল ও ইসরাইলে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন কোম্পানিগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সম্পদ ও অবকাঠামো ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ইরানি গণমাধ্যম।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ইরানি গণমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আনাদোলু।

ফার্স নিউজ এজেন্সি বলেছে, মাস্ক-সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর পরিচালিত অবকাঠামো ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় আমেরিকা ও ইসরাইলি বাহিনী ব্যবহার করেছে বলে প্রমাণ রয়েছে। এসব অবকাঠামোর মধ্যে স্টারলিংক স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক ও এক্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমও রয়েছে। এর ভিত্তিতেই এমন পদক্ষেপ বিবেচনা করা হচ্ছে।

ফার্সের ভাষ্য অনুযায়ী, আগের প্রতিবেদনগুলোতে মাস্ক-সংশ্লিষ্ট কয়েকটি প্রকল্পের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতার বিষয় উঠে এসেছিল। এর মধ্যে স্টারশিল্ড প্রকল্প এবং পৃথিবী পর্যবেক্ষণ, এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ ও নিরাপদ তথ্য আদান-প্রদানে ব্যবহৃত সামরিক স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের বিষয়ও রয়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ইসরাইল, কাতার, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানে স্টারলিংক-সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো পর্যালোচনার আওতায় রয়েছে। একই সঙ্গে স্পেসএক্স-সম্পর্কিত স্থাপনা ও বিনিয়োগও পর্যালোচনাধীন সম্পদের তালিকায় রয়েছে।

ফার্সের উদ্ধৃত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র দাবি করেছে, মাস্কের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর সহায়তায় আমেরিকার সামরিক বাহিনী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল। এর মধ্যে দক্ষিণ ইরানের পানি অবকাঠামোতে হামলার ঘটনাও রয়েছে।

সূত্রটি বলেছে, অঞ্চলজুড়ে এবং ইসরাইলে মাস্কের ব্যবস্থাপনার অধীনে থাকা হোল্ডিং কোম্পানিগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার অধিকার ইরান সংরক্ষণ করে।

সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটোর

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ