আফগানিস্তানে আমেরিকার সাবেক বিশেষ প্রতিনিধি জালমে খলিলজাদ বলেছেন, সংলাপের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির পক্ষে থাকা পাকিস্তানি সংসদ সদস্যদের উচিত নিজেদের সরকারকে আফগানিস্তানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে উৎসাহিত করা।
শনিবার (২০ জুন) সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।
সম্প্রতি পাকিস্তানের পার্লামেন্টের এক অধিবেশনের প্রসঙ্গ তুলে তিনি এ কথা বলেন। ওই অধিবেশনে আফগানিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্যিক পথগুলোতে বিধিনিষেধের কারণে পাকিস্তানের ওপর কী প্রভাব পড়ছে, তা নিয়ে আলোচনা করেন দেশটির আইনপ্রণেতারা।
এ বিষয়ে খলিলজাদ লিখেছেন, সংসদ সদস্যদের উচিত নিজেদের সরকারকে জিজ্ঞাসা করা, “পাকিস্তান ঠিক কী ধরনের প্রতিশ্রুতি ও নিশ্চয়তা চাইছে? আর আফগানিস্তানের পক্ষ থেকে যে জবাবকে আপাতদৃষ্টিতে অসন্তোষজনক বলা হচ্ছে, সেটি আসলে কী ছিল?”
আফগান কর্মকর্তাদের বরাতে খলিলজাদ বলেন, আফগানিস্তান লিখিত নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দিয়েছে। নিরাপত্তা উদ্বেগ সমাধানে যৌথ সমন্বয় ব্যবস্থার মাধ্যমে কাজ করেছে। যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় তৃতীয় পক্ষের সম্পৃক্ততার বিষয়েও প্রস্তুতি দেখিয়েছে। একই সঙ্গে পাকিস্তানের ভেতরে হামলায় আফগানদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করে একটি ফতোয়াও জারি করেছে।
আফগান বংশোদ্ভূত আমেরিকান এই কূটনীতিক বলেন, আফগানিস্তানের প্রস্তাবগুলোর বিষয়ে ইসলামাবাদের নির্দিষ্ট আপত্তি কী এবং কেন পাকিস্তান এখনো কূটনীতি ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করে যাচ্ছে, তা পাকিস্তানি জনগণের জানা উচিত।
শুক্রবার আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় খাইবার পাখতুনখাওয়া ও বেলুচিস্তানে ইসলামিক স্টেটের (আইএসআইএস) আস্তানা লক্ষ্য করে হামলার কথা জানায়। এরপর খলিলজাদ এ মন্তব্য করেন।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব আস্তানা আফগানিস্তানের ভেতরে হামলার পরিকল্পনা ও হামলা পরিচালনার কাজে ব্যবহার করা হতো।
সূত্র: তোলো নিউজ











