আমেরিকার সঙ্গেও সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চায় ইমারাতে ইসলামিয়া বলে জানিয়েছেন আফগানিস্তানের মুখপাত্র মাওলানা জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ।
তিনি বলেন, ইমারাতে ইসলামিয়া বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও গঠনমূলক সম্পর্ক চায়। এমনকি যেসব দেশের আগে আফগানিস্তানে সামরিক উপস্থিতি ছিল, তাদের সঙ্গেও সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চায় কাবুল।
শুক্রবার (৩ জুলাই) তোলো নিউজে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
মাওলানা মুজাহিদ বলেন, “আমরা বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে ভালো ও ইতিবাচক সম্পর্ক চাই। এমনকি সেসব দেশের সঙ্গেও, যাদের আফগানিস্তানে সামরিক উপস্থিতি ছিল এবং যারা যুদ্ধে জড়িত ছিল। আমরা চাই, তাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হোক। তারা এখনো আফগানিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে প্রস্তুত হয়নি, এটি তাদের নিজেদের দায়িত্ব।”
তিনি বলেন, “সময় সময় আমেরিকার সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ হয়। কখনো এসব যোগাযোগ সরাসরি হয়, আবার কখনো অন্য দেশের মাধ্যমে হয়ে থাকে। কাতারে আফগানিস্তানের দূতাবাসও সেসব দেশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে, যাদের আফগানিস্তানে দূতাবাস নেই।”
এদিকে, কয়েকজন বিশ্লেষক বলছেন, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের দেশগুলোর সঙ্গে, বিশেষ করে আমেরিকার সঙ্গে ইমারাতে ইসলামিয়ার সম্পৃক্ততা বাড়ানো রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়ন এবং জোরদারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক নাজিব-উর-রহমান শামাল বলেন, “আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশটির আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, আঞ্চলিক দেশ এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বিস্তৃত ও গভীর করা প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক আস্থা তৈরি এবং আমেরিকাসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বিস্তারের পরিবেশ তৈরি করতে আফগান সরকারেরও তার শাসন কাঠামো এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি নীতিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা দরকার।”
আফগানিস্তানে ইমারাতে ইসলামিয়া পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর থেকে তারা কয়েকটি দেশের সঙ্গে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখেছে। তবে ইমারাতে ইসলামিয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া একমাত্র দেশ এখনো রাশিয়া।
সূত্র: তোলো নিউজ











