spot_img

দেশে ফিরলেই শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠানো হবে: চিফ প্রসিকিউটর

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ থাকায় দেশে ফেরা মাত্রই তাকে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

রোববার (১২ জুলাই) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বাংলাদেশ সরকার তাকে ফেরত দেওয়ার জন্য ভারত সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে।

তিনি বলেন, এখন প্রশ্নটা হচ্ছে, তিনি যদি ভারত সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকেন, তাহলে তো তিনি নিজে নিজে আসার কোনো সুযোগ নেই। হয় প্রত্যর্পণ, এক্সট্রাডিশন, চুক্তির আওতায় তাকে বাংলাদেশ সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হবে, অথবা তাকে পুশব্যাক করবে।

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রসঙ্গে মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনা রয়টার্সে যেটা বলেছেন, তিনি এবং তার দলীয় নেতাকর্মীরা একত্রে এসে আত্মসমর্পণ করবেন, এই বক্তব্যের কোনো ভিত্তি নেই।

তিনি বলেন, কারণ তিনি তো এখন তার নিয়ন্ত্রণে নেই। তিনি তো স্বাধীন নেই অথবা তিনি আত্মগোপনে নেই।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, তাদের কাছে মনে হয়, শেখ হাসিনার বক্তব্য বাংলাদেশে তার নেতাকর্মীদের কোনোভাবে একটু উজ্জীবিত রাখা কিংবা একটি অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করা ছাড়া অন্য কোনো কারণে নয়।

শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডাদেশ-পরবর্তী আপিল প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের সেকশন ২১-এর ৩ পরিষ্কার করে বলছে, ৩০ দিনের পরে আর কোনো আপিল হবে না।

তিনি বলেন, যদি শেখ হাসিনাকে কোনোভাবে বাংলাদেশে আনা হয় অথবা তাকে বাংলাদেশে পাওয়া যায়, তাহলে তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ থাকায় তিনি প্রথমত জেলে যাবেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, জেলে যাওয়ার পর তিনি আপিল করতে পারবেন কি পারবেন না, সে বিষয়টি নিষ্পত্তি হবে। যদি আপিল করার সুযোগ না থাকে, তাহলে সাজা বহাল থাকবে। যদি আপিল করা যায়, তাহলে আপিল নিষ্পত্তি সাপেক্ষে যা হয়, তা হবে।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ