কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে ইউক্রেনের কথিত হামলার জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার আলি নিকজাদ।
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের এ পদক্ষেপকে ‘বেপরোয়া’ আখ্যা দিয়ে নিকজাদ বলেন, ইরানি জাহাজে হামলার ঘটনা কোনোভাবেই উপেক্ষা করা হবে না।
তিনি বলেন, নিজেদের ভূখণ্ডের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় থাকা বৈধ অধিকার প্রয়োগ অব্যাহত রাখবে ইরান।
নিকজাদের ভাষ্য, ইরানের ভূখণ্ডে যেখান থেকেই হামলা চালানো হোক না কেন, সেই স্থানকে বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করবে তেহরান।
তবে ইরানের এ অভিযোগের বিষয়ে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
এর আগে কাস্পিয়ান সাগরে রাশিয়ার একটি যুদ্ধজাহাজ এবং ইরান-সংশ্লিষ্ট সামরিক পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত কয়েকটি জাহাজে হামলা চালানোর দাবি করে ইউক্রেন।
শনিবার (২৫ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেন, দীর্ঘপাল্লার হামলার মাধ্যমে কাস্পিয়ান সাগরে ইউক্রেন সফলতা অর্জন করেছে।
তিনি লেখেন, ‘আমরা কাস্পিয়ান সাগরে দীর্ঘপাল্লার হামলার মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছি। এর মধ্যে ইরান-সংশ্লিষ্ট সামরিক পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত জাহাজও রয়েছে।’
তবে হামলার বিস্তারিত তথ্য, কোন কোন জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিংবা কখন এ হামলা চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে আর কোনো তথ্য দেননি জেলেনস্কি।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের দাবির বিষয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর দীর্ঘদিনের উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধে ইরানের তৈরি ড্রোন ব্যবহারের অভিযোগ করে আসছে কিয়েভ ও তার মিত্ররা।










