spot_img

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৮

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ৩৮ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১৩ জন। ভূমিকম্পে বহু ঘরবাড়ি ও স্থাপনা ধসে পড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় ভূমিধসে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে প্রায় ২ হাজার মানুষকে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশের ফ্লোরেস দ্বীপের কাছে শক্তিশালী এই ভূমিকম্প আঘাত হানে।

ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা বিএমকেজি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৭। এর গভীরতা ছিল প্রায় ১৫ কিলোমিটার। ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল পূর্ব নুসা তেঙ্গারার এমবাই-নাগেকেও এলাকার প্রায় ৩০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে সমুদ্রে।

আমেরিকার ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস-ও ভূমিকম্পটির মাত্রা ৭ দশমিক ৭ রেকর্ড করেছে। তাদের হিসাবে ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল পূর্ব নুসা তেঙ্গারার এন্দে শহর থেকে প্রায় ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-উত্তরপশ্চিমে এবং এর গভীরতা ছিল প্রায় ১০ কিলোমিটার।

ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা বিএনপিবি-এর প্রধান সুহারিয়ানতো জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ভূমিকম্পে ৩৮ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। দুজন গুরুতর আহত এবং আরও ১১ জন সামান্য আহত হয়েছেন। প্রায় ২ হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন।

ফ্লোরেস দ্বীপের সিক্কা রিজেন্সির প্রধান শহর মাউমেরেতে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে অন্তত ২০ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছেন উদ্ধারকর্মীরা। সেখানে ছয়জন আহত হয়েছেন। প্রাথমিকভাবে আরও দুজন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস বা এপি জানিয়েছে, সিক্কা, মাঙ্গারাই ও পূর্ব মাঙ্গারাই এলাকায় বেশি প্রাণহানি ঘটেছে। মাঙ্গারাইয়ের রেওক গ্রামে ভূমিকম্পের পর সৃষ্ট ভূমিধস থেকে অন্তত ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

পূর্ব নুসা তেঙ্গারার গভর্নর ইমানুয়েল মেলকিয়াদেস লাকা লেনা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের সময় ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় ভবন ধসে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ