অনুষ্ঠিত হলো দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। নির্বাচনে বিপুল ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম পেয়েছেন ৮৮ ভোট।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জাতীয় সংসদের মোট ৩৪৯ জন সদস্যের মধ্যে ৩৪৩ জন ভোট দিয়েছেন। দুপুরে ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে।
সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, ৬ জন সংসদ সদস্য এই নির্বাচনে ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন। তাঁরা হলেন— বিএনপির মির্জা আব্বাস, ওসমান ফারুক ও মোস্তফা কামাল পাশা। জামায়াতে ইসলামীর বহিষ্কৃত এমপি গাজী নজরুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের মাওলানা আবুল হাসান এবং স্বতন্ত্র এমপি ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
অনুপস্থিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে বিএনপির মির্জা আব্বাস বর্তমানে চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। খেলাফত মজলিসের মাওলানা আবুল হাসানও বিদেশে থাকার কারণে ভোটদানে অংশ নিতে পারেননি বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে, ভোটগ্রহণ চলাকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, জুলাই সনদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে হওয়া ঐকমত্যের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার অভিযোগে দলটির একমাত্র সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ ভোটদানে বিরত থাকবেন। তবে পরে দলীয় আমির মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের (চরমোনাই পীর) বিশেষ সিদ্ধান্তে বিকেল ৪টার দিকে এমপি অলিউল্লাহ ভোট প্রদান করেন।










