১১–দলীয় ঐক্যের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারিত, এখানে অন্য কিছু হওয়ার সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, কোনো সংসদ সদস্য তার ইচ্ছা অনুযায়ী ভোট দিতে পারবেন না, এখানে গণতন্ত্র নিয়ন্ত্রিত। কর্তার ইচ্ছাই কর্ম হবে, দলের পক্ষ থেকে যেখানে ভোট দিতে বলা হবে, সেখানেই ভোট দিতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর মহাখালী ডিওএইচএসে নিজ বাসভবনে অলি আহমদ এক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন।
অলি আহমদ বলেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কেউ দলের মতামতের বাইরে ভোট দিলে তার সংসদ সদস্যপদ থাকবে না। বিএনপি ক্ষমতায় এলে তাদের ৩১ দফা অনুযায়ী সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ তুলে দেওয়ার কথা বলেছিল।
তিনি আরও বলেন, ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তবে বিএনপি কেন তড়িঘড়ি করে নির্বাচন আয়োজন করেছে, তা জানা নেই। তারা হয়তো মনে করছে সংশোধন না করে নির্বাচন করলে তাদের প্রার্থী জয়লাভ করবেন আর সংশোধন হয়ে গেলে কোনো সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।
অলি আহমদ বলেন, অনেক সংস্থার জরিপে ৬৮ থেকে ৭০ শতাংশ লোক তাঁর পক্ষে ভোট দিয়েছেন। আর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ২৮ থেকে ৩০ শতাংশ লোক ভোট দিয়েছেন। এর মাধ্যমে জনগণ তাঁদের মতামত পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেন, বঙ্গভবনে তিনটি মাজার ও একটি মসজিদ আছে। এসব মাজার জিয়ারত এবং মসজিদে নামাজ পড়া ছাড়া রাষ্ট্রপতির স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ নেই। তবে আগামী দিনে ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের গণ–অভ্যুত্থানে সুশাসন ও জবাবদিহির জন্য অনেক ছেলেমেয়ে জীবন দিয়েছেন। সব ক্ষেত্রে সুশাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে দেশের মানুষ সুখেশান্তিতে বসবাস করতে পারবেন না।
নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানিয়ে অলি আহমদ বলেন, ‘একসঙ্গে অনেক দিন কাজ করেছি; আপনার কাছ থেকে আমরা কিছু ভালো জিনিস আশা করি। সব জিনিসের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের মঙ্গলের জন্য কাজ করবেন, এটাই প্রত্যাশা।’
মির্জা ফখরুলের উদ্দেশে এলডিপি সভাপতি আরও বলেন, ‘দীর্ঘদিন আমরা একসঙ্গে কাজ করেছি। আমি আশা করব জনগণ যেটা আশা করছে একজন রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে, তাঁর কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনগণের আশার প্রতিফলন ঘটবে।’










