বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্য ভারতে পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। একই বৈঠকে সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামানো, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো এবং গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের বিষয়টি ভারতের সামনে তুলে ধরেছে বাংলাদেশ।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত প্রতিবেশী রাষ্ট্র এবং দুই দেশের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। দুই দেশের জনগণের মধ্যে বোঝাপড়া বৃদ্ধির জন্য সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনা গুরুত্বপূর্ণ।
একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনা এবং গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকেন্দ্রিক না রেখে দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দেন ইসমাইল জবিউল্লাহ।
বর্তমান ভারতীয় হাইকমিশনারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অন্যদিকে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশ ও ভারতের অভিন্ন সংস্কৃতি ও ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। এ সময় তিনি ভারতে বাংলাদেশি ইলিশের ব্যাপক চাহিদার কথাও উল্লেখ করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্য ভারতে পাঠানোর অনুরোধ জানান দীনেশ ত্রিবেদী। পাশাপাশি দুই দেশের জনপ্রশাসনের মধ্যে প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম পুনরায় চালুর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ভারতীয় হাইকমিশনার। দুই দেশের জনগণের স্বার্থে সম্পর্ক সামনে এগিয়ে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
সাক্ষাতে ভারতীয় হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।












