ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) এর গুলিতে দুই বাংলাদেশি যুবক নিহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ভারত মুখে বন্ধুত্বের কথা বলে, আর সীমান্তে হত্যাকাণ্ড চালায়। ভারতের তথাকথিত বন্ধুত্ব ও সীমান্ত হত্যা একসঙ্গে চলতে পারে না।
রাশেদ প্রধান বলেন, গঙ্গা চুক্তির ৩০ বছরে বাংলাদেশ ২৩ বার বঞ্চনার শিকার হয়েছে। ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আজও মেলেনি। নানাবিধ কৌশলে অবৈধ পুশইনের প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পিলখানা ও শাপলা গণহত্যার পেছনে ভারতের প্রত্যক্ষ ইন্ধন রয়েছে। দেশটি প্রতিনিয়ত বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও নির্বাচনে নগ্ন হস্তক্ষেপ করে আসছে। জুলাইয়ের গণহত্যাকারী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ও ওসমান হাদির হত্যাকারীদের আশ্রয়দাতাও ভারত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
রাশেদ প্রধান বলেন, এই আগ্রাসী ও উগ্র হিন্দুত্ববাদী ভারতের সঙ্গে কোনোভাবেই বন্ধুত্ব সম্ভব নয়।
জাগপা মুখপাত্র আরও বলেন, তারা নতজানু পররাষ্ট্রনীতি চান না। সীমান্ত থেকে গুলি এলে পাল্টা জবাব দিতে হবে। ভারত যদি বন্ধুত্ব চায়, তাহলে বন্ধুত্বের যথাযথ প্রতিদান দিতে হবে। সম্মান চাইলে সম্মান দিতে শিখতে হবে।
তিনি বলেন, যেহেতু তারা প্রতিবেশীর সার্বভৌমত্ব নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে চায়, অতএব পাল্টা জবাব তাদের প্রাপ্য। বর্তমান বিএনপি সরকারকে মাথা উঁচু করে এর জবাব দিতে হবে।
রাশেদ প্রধান বলেন, মুখে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ বলে ভারতের সামনে খুনি হাসিনার মতো মাথানত করলে দেশের জনগণ রাজপথেই তার জবাব দেবে।












