যশোরের কেশবপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়ার অভিযোগে আট নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে কেশবপুর শহরে মিছিল বের করার পর তাদের চিহ্নিত করে আটক করা হয়। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন, কেশবপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য আলতাপোল গ্রামের আবদুল গণির ছেলে গোলাম মোস্তফা (৫০), ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি রাজনগর বাকরশী গ্রামের আবদুর রাজ্জাক বিশ্বাসের ছেলে রাজু আহমেদ (৩৫), ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ভেরচি গ্রামের নূর আলী সরদারের ছেলে আকবর হোসেন এলিন, মজিদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মজিদপুর গ্রামের নওশের আলী সরদারের ছেলে শহিদুল ইসলাম বাবু (৪০)।
এ ছাড়া যশোর সদর উপজেলার ঘুরুলিয়া মধ্যপাড়া গ্রামের মতিয়ার রহমানের ছেলে মোশাররফ হোসেন (৫২), আরবপুর ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক খোলাডাঙ্গা সরদারপাড়া এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে মিজানুর রহমান সরদার (৪০), রামকৃষ্ণপুর গ্রামের খলিল মোল্লার ছেলে তবিবার মোল্যা (৫৫) এবং চাঁচড়া ডালমিল এলাকার মাইনুদ্দিনের ছেলে ও ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সেলিম হোসেন (৪৪)।
পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কেশবপুর-পাঁজিয়া সড়কে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে ৮ থেকে ১০ জনের একটি ঝটিকা মিছিল বের হয়। মিছিলটি শ্রীগঞ্জ ব্রিজের কাছ থেকে শুরু হয়ে কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
মিছিলের খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালায়। পরে মিছিলে অংশ নেওয়া আটজনকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে।
যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেন, কেশবপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলে অংশ নেওয়া আটজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের তৎপরতা ঠেকাতে জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কোনো ধরনের অপতৎপরতা করতে দেওয়া হচ্ছে না। কেউ চেষ্টা করলে কঠোরভাবে দমন করা হচ্ছে। পুলিশের নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে।











