spot_img
spot_img

তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্পে ‘পূর্ণাঙ্গ বিপ্লব’ ঘটছে: এরদোগান

তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্পে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জিত হচ্ছে এবং এই খাতে ‘পূর্ণাঙ্গ বিপ্লব’ ঘটছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান।

শনিবার (৩ অক্টোবর) তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ শানলিউরফায় অনুষ্ঠিত টেকনোফেস্ট দক্ষিণ-পূর্ব অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রতিরক্ষা শিল্পে তুরস্কের অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন এরদোগান। একই সঙ্গে দেশের অর্জনকে আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলেন, “তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্পে আমাদের সাফল্য অব্যাহত রয়েছে। আমরা এই খাতে একটি পূর্ণাঙ্গ বিপ্লব ঘটাচ্ছি।”

তিনি বলেন, বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলো অনুরোধ করলে তাদের প্রতিরক্ষা চাহিদা পূরণেও তুরস্ক সহায়তা করে।

তিনি আরও বলেন, তারা যখন অনুরোধ করে তখন আমরা আমাদের বন্ধুদের প্রতিরক্ষা চাহিদাও পূরণ করি। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের বন্ধুরা যত শক্তিশালী হবে আমরাও তত শক্তিশালী হব।

এরদোগান বলেন, নতুন রেকর্ড ও উন্নত প্রযুক্তির প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা খাতে তুরস্কের অবস্থান আরও শক্তিশালী করা হবে।

তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা শিল্পের প্রেসিডেন্সির সমন্বয়ে আকাশ, স্থল, সমুদ্র ও মহাকাশ খাতের বিভিন্ন প্রকল্পে ৪ হাজার ৫০০টির বেশি প্রতিষ্ঠান এবং ১ লাখের বেশি মানুষ কাজ করছেন।

এরদোগান বলেন, একসময় প্রতিরক্ষা শিল্পে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত বিদেশি উৎসের ওপর নির্ভরশীল তুরস্ক এখন বিশ্বের ১১তম বৃহত্তম প্রতিরক্ষা রপ্তানিকারক দেশ।

তিনি আরও বলেন, শুধু আগস্ট মাসেই তুরস্ক ৫১ কোটি ১৪ লাখ ডলার মূল্যের প্রতিরক্ষা ও মহাকাশপণ্য রপ্তানি করেছে।

এরদোগান বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত তুরস্কের প্রতিরক্ষা ও মহাকাশপণ্য রপ্তানি ৬৩০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই রপ্তানি ১৬ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে।

তিনি আরও বলেন, “ইনশাআল্লাহ, আমরা আরও বড় উচ্চতায় পৌঁছাব। ইনশাআল্লাহ, নতুন রেকর্ড এবং উচ্চ প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ও বাড়তি মূল্যসম্পন্ন নতুন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আমরা এসব অর্জনকে আরও শক্তিশালী করব।”

এরদোগান বলেন, বিমান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উৎসব টেকনোফেস্ট শানলিউরফায় আয়োজন করা যথার্থ হয়েছে। তিনি শহরটিকে হাজার হাজার বছরের বৈজ্ঞানিক, সাংস্কৃতিক ও সভ্যতাগত ঐতিহ্যের অধিকারী ‘নবীদের শহর’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, “শানলিউরফা এর যোগ্য।” এ সময় তিনি চিকিৎসাবিজ্ঞান, গণিত, জ্যোতির্বিজ্ঞান, জ্যামিতি, পদার্থবিজ্ঞান ও দর্শনে শহরটির অবদানের কথা তুলে ধরেন।

তিনি আল-বাত্তানি, সিনান ইবনে সাবিত, হাররানের ইবনে ওয়াসিফ এবং ইউনুস আল-হাররানির মতো বিজ্ঞানীদের কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি শহরটির প্রাচীন প্রত্নস্থল গোবেকলিতেপের কথাও তুলে ধরেন।

সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ