ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ ‘খুব শিগগিরই’ শেষ হবে বলে মন্তব্য করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধ শেষ হলে তেলের দামও ব্যাপকভাবে কমে যাবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২৪ অক্টোবর) রাতে মন্টানায় সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, “ইরানের যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হবে। খুব শিগগিরই, তারা যেভাবে এটি শেষ করতে চায়।”
তিনি আরও বলেন, “তারা কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না এবং তেলের দাম পাথরের মতো দ্রুত নিচে নেমে যাবে।”
এর আগে মন্টানায় এক সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করতে ওয়াশিংটন আলোচনা চালালেও দেশটির কোন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে, তা নিয়ে তিনি নিশ্চিত নন।
তিনি বলেন, তাদের কোনো নৌবাহিনী নেই। তাদের কোনো বিমানবাহিনী নেই। তাদের সেনাবাহিনী ধ্বংসপ্রাপ্ত। তাদের নেতারা চলে গেছে। আমার সম্ভবত তাদের নেতাদের ছেড়ে দেওয়া উচিত ছিল। কারণ, আমরা আসলে কার সঙ্গে আলোচনা করছি, তা আমি জানি না।
ট্রাম্প আরও বলেন, ইরান আগে মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রভাবশালী সামরিক শক্তি ছিল। তবে আমেরিকার সামরিক অভিযান দেশটির সামরিক সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল করেছে বলে দাবি করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, ইরান ছিল মধ্যপ্রাচ্যের দাদাগিরি করা শক্তি। দেশটি এখন আর আগের মতো শক্তিশালী নেই।
ট্রাম্প দাবি করেন, আমেরিকার হামলায় ইরানের নৌবহর ধ্বংস হয়েছে এবং দেশটির সামরিক বিমানগুলো ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, ইরানের ১৫৯টি জাহাজ ছিল এবং এর একটিও এখন কার্যকর নেই। একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, দেশটির যুদ্ধবিমানগুলো রানওয়েতেই ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।
ট্রাম্প আরও বলেন, আপনারা জানেন, তারা শক্তিশালী ছিল। এখন তারা আর ততটা শক্তিশালী নয়। আমি বলেছিলাম, ‘আমরা তাদের শক্তি ধ্বংস করে দিয়েছি।’ কিন্তু তাদের ঠিক ১৫৯টি জাহাজ ছিল। কতগুলো জাহাজ সমুদ্রের তলায় পড়ে আছে? আপনারা জানেন, ১৫৯টি। তাদের ২৭৪টি বেশ ভালো যুদ্ধবিমান ছিল, আমাদেরগুলোর মতো নয়, তবে বেশ ভালো। এখন কতগুলো যুদ্ধবিমান ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত আছে? শূন্য! আপনারা জানেন, সেগুলো কোথায়? ইরানের সুন্দর সব রানওয়েতে সেগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। রানওয়েজুড়ে সেগুলো ছোট ছোট টুকরোয় ছড়িয়ে আছে।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি











