spot_img
spot_img

অবরুদ্ধ হেবরনে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিচ্ছে ইসরাইল

অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরনে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বাসিন্দাদের জোরপূর্বক উচ্ছেদ শুরু করেছে দখলদার অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের বাহিনী।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) হেবরনের কাছে ইসরাইলি সামরিক চৌকিতে ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীদের হামলায় দুই ইসরাইলি সেনা নিহত হওয়ার পর এ ধ্বংসযজ্ঞ শুরু করা হয়।

হামলার পর হেবরনে পূর্ণ অবরোধের ঘোষণা দেয় ইসরাইলি সামরিক বাহিনী। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু পশ্চিম তীর পুরোপুরি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। পরে তিনি হেবরন ও হালহুল শহর ঘিরে অবরোধের কথা জানান।

শুক্রবার হেবরনের ফারশ আল-হাওয়া এলাকায় ভবন ভাঙা শুরু করে ইসরাইলি বাহিনী। সিএনএনের পাওয়া একটি ভিডিওতে এক ইসরাইলি সেনাকে আবাসিক ভবনের বাসিন্দাদের পাঁচ মিনিটের মধ্যে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিতে দেখা যায়।

ইসরাইলি মানবাধিকার সংগঠন বি’তসেলেম ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক উচ্ছেদের পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছে। সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক ইউলি নোভাক বলেন, উত্তর পশ্চিম তীরের শরণার্থীশিবিরগুলোতে উচ্ছেদ ও ধ্বংসযজ্ঞের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে চাইছে ইসরাইল।

অভিযানের অংশ হিসেবে ফারশ আল-হাওয়া এলাকায় একটি আবাসিক ভবনসহ বেশ কয়েকটি ফিলিস্তিনি মালিকানাধীন স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সূত্রের বরাতে ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, একটি ভবনে তিনটি আবাসিক ইউনিট ছিল এবং ভবনটি একটি ফিলিস্তিনি পরিবারের বসবাসের জন্য ব্যবহৃত হতো। একই এলাকায় বাণিজ্যিক ও শিল্প স্থাপনাও ধ্বংস করা হয়েছে।

আগামী নির্বাচনের মাত্র চার দিন আগে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর অবস্থানের যে ভাবমূর্তি নেতানিয়াহু তুলে ধরতে চান, এ ঘটনা তার জন্য নতুন রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

সূত্র: সিএনএন, রয়টার্স, এপি, ওয়াফা

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ