spot_img
spot_img

আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য পাকিস্তানের দেওয়া একপাক্ষিক তথ্যের ভিত্তিতে: মাওলানা মুজাহিদ

আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর বক্তব্য পাকিস্তানের দেওয়া একপাক্ষিক তথ্যের ভিত্তিতে করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইমারাতে ইসলামিয় আফগানিস্তানের মুখপাত্র মাওলানা জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ। একই সঙ্গে কাবুল ও ইসলামাবাদের মধ্যে মধ্যস্থতার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেছেন, যেকোনো মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ায় সংঘাত শুরুর জন্য পাকিস্তান দায়ী, এই বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে।

মাওলানা জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, রুবিওর কাছে দেওয়া তথ্য একপাক্ষিক বলে মনে হচ্ছে। পাকিস্তানের দেওয়া তথ্যের ওপরই তারা নির্ভর করছে।

তিনি আরও বলেন, আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে যদি মধ্যস্থতা হয়, তাহলে আফগানিস্তান তা স্বাগত জানায় এবং এই প্রক্রিয়াকে গুরুত্ব দেয়। তবে বাস্তব ঘটনাগুলোও বিবেচনায় নিতে হবে। উত্তেজনা সৃষ্টি এবং সংঘাত শুরু করার জন্য পাকিস্তানই দায়ী। পাকিস্তানে বহু বছর ধরে চলমান সমস্যাগুলোর জন্যও তারা আফগানিস্তানকে দায়ী করছে। অথচ আফগানিস্তান কখনোই তার ভূখণ্ডকে অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে ব্যবহারের সুযোগ দেবে না।

সম্প্রতি জি২০ সম্মেলনের এক পার্শ্ববৈঠকের অবকাশে কাবুল ও ইসলামাবাদের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, পাকিস্তান এমন কিছু হামলা নিয়ে উদ্বিগ্ন, যেগুলো পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের দাবি অনুযায়ী আফগানিস্তানের ভূখণ্ড থেকে সমর্থন ও সংগঠিত করা হচ্ছে।

বিস্তারিত কোনো তথ্য না দিয়ে রুবিও আরও বলেন, ওয়াশিংটন এ বিষয়ে গঠনমূলক কোনো ভূমিকা পালনের সুযোগ পেলে তা করতে প্রস্তুত।

রুবিও আরও বলেন, পাকিস্তান আফগানিস্তানের ভূখণ্ড থেকে পরিচালিত সন্ত্রাসী হামলা নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাদের মনে হচ্ছে, এসব হামলা নিয়ন্ত্রণে তালেবান যথেষ্ট পদক্ষেপ নেয়নি এবং তারা এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। আমরা অবশ্যই তাদের এসব উদ্বেগের কথা শুনেছি। তাই আমাদের জন্য যদি কোনো গঠনমূলক ভূমিকা পালনের সুযোগ থাকে, তাহলে আমরা তা পালন করব। আপনারা যেমনটা ধারণা করতে পারেন, তালেবানের সঙ্গে আমাদের খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নেই। তাই পাকিস্তান যে উদ্বেগের কথা জানিয়েছে, আমরা তা শুনেছি এবং তারা যে হামলাগুলোর কথা বলেছে, সেগুলোর কিছু আমরা দেখেছিও।

কাবুল ও ইসলামাবাদের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিয়ে ওয়াশিংটনের এই সতর্ক অবস্থান এমন সময়ে এলো, যখন চীন ও রাশিয়াসহ আঞ্চলিক দেশগুলো দুই পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতা এবং উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করছে।

সূত্র : টোলো নিউজ

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ