রাজনৈতিক মদদ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশ ছাড়া দেশে মাদক পরিবহন ও হটস্পট পরিচালনা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। তিনি দাবি করেছেন, সীমান্ত থেকে রাজধানী পর্যন্ত মাদক পাচারে একাধিক সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। এমনকি ঢাকায় মেথ তৈরির ল্যাব পরিচালনার তথ্যও পাওয়া গেছে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাজধানীর সিডরাপ মিলনায়তনে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক এক সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি।
ইশরাক হোসেন বলেন, সীমান্ত দিয়ে দেশে মাদক প্রবেশের পর দেশের অভ্যন্তরে একাধিক সিন্ডিকেটের হাতবদলের মাধ্যমে তা ছড়িয়ে পড়ছে। এ পাচারের সঙ্গে রাজনৈতিক মদদ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশ রয়েছে।
ঢাকা-৬ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, অনুসন্ধানে কয়েকটি পরিবহনের মাধ্যমে মাদক সরবরাহের তথ্য পাওয়া গেছে। এমনকি ওষুধের নামে রাসায়নিক এনে ঢাকায় মেথ তৈরির ল্যাব পরিচালনার তথ্যও রয়েছে।
তিনি বলেন, মাদকের চাহিদা পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব না হলেও এর সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। এ জন্য মাদক পাচারের পুরো সরবরাহব্যবস্থা বা সাপ্লাই চেইন ভেঙে দিতে হবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতাসহ মাদক পাচারে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান তিনি।











