দেশ হতাশা, দুশ্চিন্তা ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। কোথাও শান্তি, সম্মান ও স্বস্তি নেই। আল্লাহর দ্বীনের ভিত্তিতেই কেবল এসব ফিরিয়ে আনা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। এ জন্য চিকিৎসকসহ সবাইকে কঠিন শপথ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর পূর্বাচলের সি শেল রিসোর্টে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ) ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ আয়োজিত ‘কিডস ফেস্টিভ্যাল ও ফ্যামিলি গেট টুগেদার সিজন ২’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমীর বলেন, চিকিৎসকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পরিবার ও সন্তানদের সময় দেওয়া জরুরি। এ ধরনের আয়োজন পারিবারিক বন্ধন ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার করে। একই সঙ্গে চিকিৎসকদের নৈতিক সীমারেখা মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর ও সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এবং এনডিএফ সভাপতি অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম। প্রধান আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট ইসলামিক চিন্তাবিদ মুফতী আলী হাসান উসামা।
এ ছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ও সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সংসদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম এবং জিএস এসএম ফরহাদ।
এনডিএফ ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি ডা. মোহাম্মদ মারুফ শাহরিয়ারের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি ডা. নুর উদ্দীন তালুকদারের পরিচালনায় দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে শিশুদের জন্য বিভিন্ন রাইডস ও কিডস জোন, খেলাধুলা, পিঠা উৎসব, নাটিকা, সংগীত ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরামের সদস্য ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, চিকিৎসকদের পারিবারিক ও সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, শিশুদের মেধা, মনন ও সৃজনশীলতা বিকাশে আনন্দময় পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন।
অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম বলেন, কর্মব্যস্ত চিকিৎসকদের মানসিক প্রশান্তি ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত ইতিবাচক।
প্রধান আলোচক মুফতী আলী হাসান উসামা বলেন, আদর্শ সমাজ গঠনে আদর্শ পরিবারের বিকল্প নেই। শিশুদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধে গড়ে তুলতে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. মারুফ শাহরিয়ার বলেন, চিকিৎসক ও তাঁদের পরিবারের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।











