spot_img

যে কারণে মিয়ানমার ইস্যুতে জাতিসংঘের প্রস্তাবে ভোট দেয়নি বাংলাদেশ

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে মিয়ানমার বিষয়ক গৃহীত প্রস্তাবে রোহিঙ্গা ইস্যু অন্তর্ভুক্ত না করায় গভীর হতাশা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। এ কারণে প্রস্তাবে ভোটদানে বিরত থেকেছে বাংলাদেশ।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গত শুক্রবার মিয়ানমার বিষয়ে পাস হওয়া প্রস্তাবে দেশটির গণতান্ত্রিক সমস্যা, জরুরি অবস্থা, রাজনৈতিক বন্দি, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও আসিয়ানের কেন্দ্রীয় ভূমিকার প্রতি নজর দেওয়া হয়েছে। তবে রোহিঙ্গা সমস্যা ও প্রত্যাবাসন বিষয়ে যথাযথ নজর দেওয়া হয়নি এবং কীভাবে এই সমস্যা সমাধান করা যাবে সে ব্যাপারেও কিছু বলা হয়নি।

গতকাল শনিবার (১৯ জুন) রাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রস্তাবে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে কোনো পদক্ষেপের সুপারিশ না থাকায় বাংলাদেশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। প্রস্তাবে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিমদের প্রত্যাবাসন নিয়ে কোনো সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তা ছাড়া বলা হয়নি রোহিঙ্গাদের নিরাপদে, স্থায়ীভাবে ও মর্যাদার সঙ্গে স্বভূমিতে ফেরত যাওয়ার জন্য রাখাইনে অনুকূল পরিবেশ তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথাও।

শুক্রবার (১৯ জুন) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রস্তাবটি পাস হয়।

প্রস্তাবের পক্ষে ১১৯টি ভোট পড়ে, বিপক্ষে ভোট দেয় শুধু বেলারুশ। বাংলাদেশ, ভারত, চীন, নেপাল, ভুটান, লাওস, থাইল্যান্ড, রাশিয়াসহ ৩৬টি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে।

প্রস্তাবে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর প্রতি জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার এবং মানবাধিকারের প্রতি সম্মান জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত এ প্রস্তাব মিয়ানমার প্রত্যাখ্যান করেছে বলে জানিয়েছে সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদমাধ্যম চ্যানেল নিউজ এশিয়া।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ