বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আজকে গুম-খুনের রাজনীতিতে, আজকে মিথ্যাচারের রাজনীতিতে আমরা প্রত্যেকে যদি প্রশিক্ষিত হই আমার মনে হয় সরকার বেশিদিন টিকতে পারবে না। আদর্শের কাছে, ন্যায়ের কাছে, ইনসাফের কাছে, সুশাসনের কাছে, নীতির কাছে জুলুমকারীরা কখনই টিকে থাকতে পারে না। কখনোই পারবে না। আমার মনে হয় আজকে এই সরকার একটি গভীর নীলনকশা বাস্তবায়ন করছে।
বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির উদ্যোগে পবিত্র ‘ঈদে মিলাদুন্নবী’ (সাল্লাল্লাহু আইহি ওয়া সাল্লাম) উপলক্ষে মিলাদ ও দুআ মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, সয়াবিন তেল এক লাফে ৭ টাকা বেড়েছে। ১৫৩ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ টাকা হয়েছে। ওবাদুল কাদের বলছেন, মনিটরিং করছেন শেখ হাসিনা। আর এই মনিটরিং করতে গিয়ে চালের দাম, ডালের দাম সব হু হু করে আকাশ ছুঁইছুঁই করছে। এটাই হচ্ছে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক অপকৌশল। রংপুর পুড়ুক, চৌমুহনী পুড়ুক, হাজীগঞ্জ পুড়ুক- এর মধ্য দিয়ে আমি আমার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবো।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা মনে করেন আমি চালের দাম, লবনের দাম, পেয়াজের দাম, ডালের দাম বাড়াবো, আর আমার সিন্ডিকেটরা পকেট ফুলাবে। পকেট ফুলিয়ে মোটা-সোটা হতে থাকবে। আর এর মধ্য দিয়ে সরকারের ময়ূরের সিংহাসন টিকে থাকবে- এটাই হচ্ছে শেখ হাসিনার অভিপ্রায়। এটাই হচ্ছে শেখ হাসিনার ইচ্ছে। তার সিন্ডিকেটকে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য জনগণের দৃষ্টি চৌমুহনীতে, হাজীগঞ্জে, চট্টগ্রামে এবং পীরগঞ্জে উনি নিয়ে রেখেছেন। আর ওবায়দুল কাদেরসহ আরও যারা মন্ত্রী রয়েছেন তাদেরকে উনি বলে রেখেছেন তোমরা এটার ওপর ব্যস্ত রাখো জনগণকে। তারা সেই কাজটাই অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে করছেন।
রিজভী বলেন, কুমিল্লাবাসী এবং হিন্দু সম্প্রদায়ও বলছে, আমরা নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনকে বলেছিলাম। কিন্তু তারা যথাসময়ে সাড়া দেয়নি। অনেক দেরি করে এসেছে। এ নিয়ে পত্রপত্রিকায়ও লেখালেখি হচ্ছে। আর একের পর এক বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে, ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে।










