spot_img

সমুদ্রসীমা অতিক্রমের অভিযোগ এনে ২০ বাংলাদেশিকে আটক করেছে ভারত

সমুদ্র সীমানায় ঢুকে পড়ার অভিযোগে ২০ জন বাংলাদেশি মৎসজীবীকে আটক করেছে ভারতের ওড়িষ্যার পারাদ্বীপ মেরিন পুলিশ।

রবিবার (২৬ ডিসেম্বর) নেহরু বাংলোর পারাদ্বীপের সমুদ্র বন্দরের কাছে থেকে তাদেরকে আটক করে নিয়ে যায়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়, রোববার পারাদ্বীপের সমুদ্র বন্দরের কাছে একটি মাছ ধরার ট্রলারে ওই বাংলাদেশি মৎসজীবীদের দেখতে পায় স্থানীয় এক মসৎসজীবী। এরপরই পারাদ্বীপ মেরিন পুলিশে খবর দিলে সেখানে যৌথভাবে তল্লাশি চালায় পারাদ্বীপ মেরিন পুলিশ ও ভারতীয় কোস্ট গার্ডের সদস্যরা। এরপর তাদের পারাদ্বীপ মেরিন পুলিশ থানায় নিয়ে আসা হয়।

তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে জেরায় বাংলাদেশি মৎসজীবীরা জানায়, মাছ ধরার উদ্দেশ্যে গত ৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ভোলা থেকে তারা বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। মাঝ সমুদ্রে বিচরণ করার সময় গত ১১ ডিসেম্বর তাদের ট্রলারটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। একসময় ট্রলারটি তার স্বাভাবিক কাজকর্ম বন্ধ করে দেয় এবং সমুদ্রের পানিতে ভাসতে ভাসতে সেটি ভারতীয় সীমানার (ওড়িষ্যা) মধ্যে ঢুকে পড়ে। এরপর তারা স্থানীয় এক মৎসজীবীর সহায়তা চায়, সেইসাথে বাংলাদেশে অবস্থান করা বাংলাদেশি ট্রলারের মালিকের সাথেও যোগাযোগ করে। কিন্ত বেশ কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও ট্রলারের মালিকের পক্ষ থেকে কোনো সদুত্তর না মেলায় তাদেরকে উদ্ধারের বার্তা পাঠানো হয়। এরপরই মাঝ সমুদ্রে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের উদ্ধার করে পারাদ্বীপ বন্দরে নিয়ে আসা হয়।

পরে ওই ২০ জন বাংলাদেশি মৎসজীবীকে আটক দেখিয়ে জব্দ করা হয় ট্রলারটিকে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ১৫টি মোবাইল ফোন, বাংলাদেশি কিছু নথি। পরে আটককৃত মৎসজীবীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়, সেইসাথে শুকনো খাবারও সরবরাহ করা হয়।

পারাদ্বীপের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিমাই চরণ সেঠি এর সত্যতা স্বীকার করে বলেন, রবিবার গভীর সমুদ্রে ওই ২০ জন বাংলাদেশি আটকা পড়ে। এরপর বোটের সাহায্যে তাদের উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের সত্যতা জানতে তাদের সম্পর্কে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। তাদের কাছ থেকে ১৫ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ