নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, আন্দোলন আসছে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এক দফা আন্দোলন, এই সরকারের পতন। এর বাইরে কোনো পথ খোলা নাই।
আজ শুক্রবার (১ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী নাগরিক সমাজের উদ্যোগে নবগঠিত কমিটির অভিষেক উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
গয়েশ্বর রায় বলেন, আজকে কী পাবো, কী খাবো-এটা মাথা থেকে পরিত্যাগ করতে হবে। কোথায় আছি, কোথায় যাবো, জানি না। কিন্তু পথ চলতে হবে, ঠিকানায় পৌঁছাতে হবে। তাহলেই আমরা কিছু করতে পারবো। আর যদি পদে পদে সার্টিফিকেট চামফ, পদে পদে যদি স্বীকৃতি চাই, তাহলে আমি-আপনি কিছু করতে পারবো না।
তিনি বলেন, নিঃস্বার্থভাবে দেশ ও জনগণের স্বার্থে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন এতো কথা নয়, একটা দাবি তুলতে হবে- এক দফা। এই সরকারের পদত্যাগ চাই। তাদের অধীনে সুষ্ঠু ভোট হতে পারে না।
নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন প্রসঙ্গে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, নির্বাচন কমিশনে পাঁচটা ফেরেস্তা দিলে কী হবে, সরকারে যদি একটা শয়তান থাকে। সরকারের শয়তানটা জরুরি তাড়ানো। তারপরে নির্বাচন কমিশন যে হয় হোক। সেখানেও একটা নির্বাচন করার আমাদের সম্ভাবনা থাকবে। সেই কারণেই আজকে আমাদের লড়াইটা কিন্তু সেখানে করবো।
তিনি আরও বলেন, জেল দেবে, জুলুম করবে যাতে নির্বাচন করতে না পারি। আমি বলবো, শেখ হাসিনাকে জিজ্ঞাসা করছি, বিএনপির থেকে কে কে নির্বাচন করতে পারবো না, তালিকা পাঠান। তারা নির্বাচন করবে না। আমাদের তৃতীয় শ্রেণির কর্মীরা নির্বাচন করবে। পার্লামেন্ট বাতিল করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন। যদি জয়লাভ করে ক্ষমতায় আসতে পারেন, ফুলের মালা দিয়ে বরণ করব। আর যদি জনগন আপনাদের অপছন্দ করে তাহলে তাদেরকে আপনারা ফুলের মালা দিয়ে বরণ করবেন।












