বুধবার | ৪ ফেব্রুয়ারি | ২০২৬
spot_img

তিউনিসিয়ায় পার্লামেন্ট সক্রিয় আছে : ঘোষণা স্পীকার রাশিদ আল গানুশির

তিউনিসিয়ার পার্লামেন্টের স্পিকার ও দেশটির সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল আন নাহদা’র প্রধান রাশিদ আল গানুশি বলেছেন, তিউনিসিয়ার পার্লামেন্ট সক্রিয় রয়েছে। পার্লামেন্ট সদস্যদের উচিত হবে তাদের স্বাভাবিক কাজ অব্যাহত রাখার।

শুক্রবার এক টুইট বার্তায় এই ঘোষণা করেন তিনি। এর মাধ্যমে তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট কায়েস সাইদের পার্লামেন্ট স্থগিতের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করলেন পার্লামেন্ট স্পিকার ও রাশিদ আল গানুশি।

এর আগে বুধবার প্রধানমন্ত্রীকে বহিস্কার ও পার্লামেন্ট স্থগিতের দুই মাস পর অনির্বাচিত নাজলা বুউদেন রমাদানকে নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেন কায়েস সাইদ।

এদিকে পার্লামেন্ট ভবনে সদস্যদের প্রবেশে বাধা দিতে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন রাখা হয়েছে। তিউনিসের লে বারদো ডিস্ট্রিক্টের পার্লামেন্ট ভবনে পথচারী ও গাড়ি প্রবেশের সবধরনের পথ রোধ করে রাখা হয়েছে।

এদিকে রোববার রাজধানী তিউনিসে প্রেসিডেন্ট সাইদের সমর্থক ও বিরোধীরা সমাবেশের পরিকল্পনা করছেন।

গত ২৫ জুলাই তিউনিসিয়ায় প্রেসিডেন্ট কায়েস সাইদ দুই বছর আগে নির্বাচিত পার্লামেন্ট ৩০ দিনের জন্য স্থগিত, প্রধানমন্ত্রী হিশাম মাশিশিকে বরখাস্ত ও দেশের নির্বাহী ক্ষমতা নিজের হাতে নেয়ার ঘোষণা দিয়ে আদেশ জারি করেন।

পরে ২৩ আগস্ট ‘রাষ্ট্রের জন্য হুমকি’ বিবেচনায় পরবর্তী আদেশ দেয়া না পর্যন্ত পার্লামেন্ট স্থগিত রাখার আদেশ দেন প্রেসিডেন্ট কায়েস সাইদ।

অপরদিকে ২২ সেপ্টেম্বর জারি করা এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংবিধানের কিছু অংশ স্থগিত করার মাধ্যমে নিজের ক্ষমতা জোরদার করেন সাইদ।

তিউনিসিয়ার রাজনৈতিক দলগুলো এই আদেশকে ‘সাংবিধানিক অভ্যুত্থান’ বলে অভিযোগ করে আসছে।

২০১১ সালে আরব বসন্তের সূচনাকারী দেশ তিউনিসিয়ায় স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের জেরে ২৪ বছর দেশটি শাসন করা একনায়ক জাইন আল আবেদীন বিন আলী ক্ষমতাচ্যুৎ হন। এর পর থেকেই গত দশ বছর ভঙ্গুর অবস্থা সত্ত্বেও আরব বিশ্বের একমাত্র গণতান্ত্রিক শাসন উত্তর আফ্রিকার দেশটিতে চালু ছিলো।

সূত্র : আলজাজিরা

spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ