অনাস্থা ভোটের আগে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের গভর্নরকে বরখাস্ত করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। প্রদেশটিতে উমর সরফরাজ চিমাকে নিয়োগ করা হয়েছে নতুন গভর্নর হিসেবে। অনাস্থা ভোট শুরু হওয়ার আগে বিক্ষোভ, জমায়েত বন্ধ করতে ইসলামাবাদে ইতোমধ্যে জারি করা হয়েছে ১৪৪ ধারা। স্থানীয় জেলা প্রশাসনের থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে পাকিস্তানের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির বাইরে।
এদিকে অনাস্থা ভোটের আগে পাকিস্তানের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির স্পিকার আসাদ কায়সারকে অপসারণের জন্য একটি প্রস্তাব নিয়ে এসেছে বিরোধীরা। ১১০ জনের স্বাক্ষরও রয়েছে সেই প্রস্তাবে।
ইমরান খান এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘প্রতিষ্ঠান’ তাকে তিনটি বিকল্প দিয়েছিল— ইস্তফা, আস্থা ভোট এবং নির্বাচন এগিয়ে আনা। প্রশ্ন উঠছে, কে এই ‘প্রতিষ্ঠান’? ইমরান খান স্পষ্ট না করলেও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ক্ষেত্রে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর দিকেই ইঙ্গিত করেছেন তিনি।
বিরোধী নেতাদের দাবি, অন্তত ১৭৫টি ভোট তাদের পক্ষে পড়বেই, যা ম্যাজিক সংখ্যা ১৭২-এর চেয়ে বেশি। পাকিস্তানের একটি টেলিভিশন চ্যানেলের দাবি, বিরোধী এবং বিক্ষুব্ধ মিলে সবাই ভোট দিলে সংখ্যাটা ১৯৯-এ পৌঁছে যেতে পারে। ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি মোট আসন সংখ্যা ৩৪২।
সূত্র: ডন।











