কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, বাংলাদেশে শিক্ষিত বেকার সমস্যা সমাধানে নতুন করে ভাবতে হবে। রাজস্ব আয়ে অটোমেশন এবং বড় প্রকল্প বাস্তবায়নে দুর্নীতি বন্ধসহ একাধিক উদ্যোগ নিলে অর্থনৈতিক স্থবিরতা কেটে উঠবে।
রোববার (৩ মে) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটে জাতীয় নাগরিক পার্টির সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটি আয়োজিত ‘জ্বালানি, অর্থনীতি, মানবাধিকার, সংস্কার ও গণভোট’ শীর্ষক জাতীয় কনভেনশনে এসব কথা বলেন তিনি।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ক্যাশলেস ও পেপারলেস এবং এনআইডি-অন্তর্ভুক্তকরণের মাধ্যমে কর ও শুল্ক অটোমেশন করা এখন সময়ের দাবি। আরজেএসসির সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে ১ কোটি ২৮ লক্ষ টিআইএনধারী আছে। কিন্তু আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছে সাড়ে ৫ লাখের মতো অর্থাৎ ৫ শতাংশও না। আবার আমাদের রেজিস্টার্ড বিজনেস প্রতিষ্ঠান আমাদের প্রায় ১ কোটির উপরে কিন্তু বছরে ৫ থেকে ৭ লাখ আয়কর রিটার্ন দেয়। এর কারণও আছে। আয়কর রিটানে বর্তমানে সনাতনী পদ্ধতিতে অনেক জটিলতা রয়েছে। তো এটাকে আমরা অটোমেশন করে এনআইডি কার্ডের সাথে ইন্টিগ্রেটেড করে ফেলতে পারলে টেবিলের নিচ দিয়ে যে কম্প্রোমাইজ হয়, তাও প্রায় শূন্যে নিয়ে আসা যাবে। ইউরোপীয়ান অনেক দেশে অনেক বছর ধরে এই অনুশীলন আছে।
তিনি বলেন, দ্বিতীয়ত, দেশের যে জ্বালানি সংকট, পাম্পের দীর্ঘ লাইন কমে যাওয়ার পরও আশাবাদী হওয়ার কোনো কারণ নেই। কারণ আমাদের ফুয়েল আমদানিনির্ভর। আমাদের দেশে লোডশেডিংয়ের কারণে বড় বড় প্রতিষ্ঠানগুলো প্রত্যেক বছর ক্রাইসিসের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। কিন্তু ভারত তাদের এনার্জি সোর্স বৈচিত্র্যময় করতে পেরেছে। তারা রিনিউয়েবল এনার্জিতে চলে গেছে। পাকিস্তান রিনিউয়েবল এনার্জিতে চলে গেছে। ফলে ইসরাইলের সাথে ইরানের যুদ্ধের প্রভাব কিন্তু পাকিস্তান, উরুগুয়ে, কেনিয়াতে পড়েনি। ফলে আমাদেরকে নির্ভরতা থেকে বের হয়ে রিনিউবেল এনার্জিতে যেতে হবে।











