সম্প্রতি সুইডেনে কুরআন পোড়ানোর ঘটনার সমালোচনা করে এটিকে আপত্তিকর ও উস্কানিমূলক কাজ বলে অভিহিত করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এছাড়া ইউরোপে বর্ণবাদ ও জেনোফোবিয়ার কোন স্থান নেই বলেও জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বৈদেশিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক নীতির মুখপাত্র নাবিলা মাস্রালি।
তিনি বলেন, “মুসলিমদের গুরুত্বপূর্ণ উৎসব ঈদের দিনে এমন একটি কাজ সংগঠিত হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয়।”
সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন বলেন, দেশটির মত প্রকাশের স্বাধীনতা আইনের অধীনে এই কর্মকান্ডের অনুমতি দেওয়া হলেও তা উপযুক্ত নয়।
এদিকে এ ঘটনা তীব্র সমালোচনা করে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতার নাম করে ইসলাম বিরোধী কর্মকাণ্ডের অনুমতি দেওয়া পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য।
এসব কর্মকান্ডের ফলে ন্যাটোতে সুইডেনের যোগদানের বিষয়টি আরো কঠিন হয়ে উঠেছে।
আগামী ১১ ও ১২ জুলাই লিথুয়ানিয়াতে ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এ সম্মেলনের পূর্বে ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের সাথে তুরস্কের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক কুরআন পোড়ানোর ঘটনার ফলে এই বৈঠকটি বাতিলের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।
সূত্র: ডেইলি সাবাহ











