ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্তে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে এধরণের দেশবিরোধী সিদ্ধান্ত বাতিলের আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ ইমতিয়াজ আলম।
তিনি বলেন, ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কার্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত থেকে উপদেষ্টা সরকারকে সরে দাড়াতে হবে
বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, জাতিসংঘ মহাসচিব কর্তৃক বাংলাদেশে আবাসিক সমন্বয়ক হিসেবে একজন আত্মস্বীকৃত সমকামী কূটনীতিককে নিয়োগ এবং এর পূর্বপ্রসঙ্গ হিসেবে ঢাকায় জাতিসংঘের তথাকথিত মানবাধিকার কার্যালয় স্থাপনের প্রক্রিয়া প্রকাশ করেন।
এ সিদ্ধান্তকে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি আখ্যায়িত করে অবিলম্বে তা বাতিলের দাবি জানান তিনি। সেই সাথে তিনি প্রশ্ন রাখেন, জাতিসংঘই বার বার মানবাধিকার লঙ্ঘন করে আসছে। সেই জাতিসংঘ কীভাবে মানবাধিকার রক্ষা করবে?
মাওলানা ইমতিয়াজ বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন, সার্বভৌম ও মুসলিমপ্রধান দেশ। এ দেশের সংবিধান, সমাজ, সংস্কৃতি ও আইন ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সামাজিক শালীনতার ভিত্তিতে গঠিত। ইসলাম ও মুসলিম জনমানস সমকামিতাকে একটি জঘন্য অপরাধ ও অগ্রহণযোগ্য বিকৃতি মানসিকতা হিসেবে গণ্য করে। জাতিসংঘের মতো একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা কীভাবে এই বাস্তবতা উপেক্ষা করে বাংলাদেশের মতো ধর্মপ্রাণ দেশের জন্য এমন একজন ব্যক্তিকে মনোনীত করতে পারে তা আমাদের বোধগম্য নয়।
তিনি আরও বলেন, বিগত সময়ের অভিজ্ঞতায় প্রমাণিত মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার নামে জাতিসংঘ ইসলামী শরিয়াহ, পারিবারিক আইন, সামাজিক রীতিনীতি ও শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করে ইসলামবিরোধী চক্রান্ত বাস্তবায়ন করছে। দেশে দেশে মুসলিম নিধন করা হলে জাতিসংঘ কোন কথা বলে না, কিন্তু ভিন্নধর্মীদের উপর সামান্য চুন থেকে পান খসলেই সে দেশে ঘাটি স্থাপন করে যুদ্ধ বাধিয়ে দেয়ার অভিযোগ আছে। আগে জাতিসংঘকে মানবাধিকার রক্ষার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে দেখাতে হবে।











