spot_img
spot_img

যে কারণে ইরানের ১৩টি তেলবাহী ট্রাক ফেরত পাঠালো আফগানিস্তান

বিশ্বব্যাংকে থাকা আফগানিস্তানের প্রায় ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার জব্দ করা হলেও স্বাধীনতার পর বেশ ভালোভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে দেশটির বাণিজ্য ও অর্থনীতি। আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি না পাওয়া ও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি তাদের ইসলামী ঐতিহ্য ও নিয়ম অনুসরণ করে মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে।

দেশ পুনর্গঠনে বাস্তবায়ন করে চলেছে একের পর এক ছোট বড় প্রকল্প। হাতে নিয়েছে ট্রান্স আফগান রেলপথ নির্মাণ, টিএপিআই (তুর্কমেনিস্তান,আফগানিস্তান,পাকিস্তান, ইন্ডিয়া গ্যাস পাইপলাইন), টিএপি (তুর্কমেনিস্তান, আফগানিস্তান,পাকিস্তান বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন) ও কাসা-জার (আফগানিস্তানের মধ্যদিয়ে পাকিস্তান পর্যন্ত যাওয়া কিরগিজস্তান এবং তাজিকিস্তানের একটি বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন যা দৈর্ঘে ১২৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত) এর মতো বড় বড় মেগা প্রজেক্ট।

আমদানি ও রপ্তানিতেও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে পণ্যের গুণগত মান। যা সদ্য স্বাধীন হওয়া যেকোনো দেশের জন্যই কষ্টসাধ্য। দেশটি যদি স্বীকৃতি না পায়, রিজার্ভ জব্দ থাকে ও নিষেধাজ্ঞার কবলে থাকে তাহলে তা হয়ে পড়ে একেবারেই অসম্ভব।

কিন্তু ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান তা করে দেখাচ্ছে। গত বুধবার (২ আগস্ট) গুণগত মান ঠিক না থাকায় ইরানের ১৩টি তেলবাহী ট্রাক ফেরত পাঠিয়েছে দেশটি।

তালেবান সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন আফগানিস্তান জাতীয় মান নির্ণয় কর্তৃপক্ষ এএনএসএ জানায়, তেলের ক্ষেত্রে সরকার আমাদের যে স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করতে বলেছে তা অনুসরণ করে তেল আমদানি করা হচ্ছে কি না আমরা তার পরীক্ষা চালাই।

আমদানি কৃত তেল নিয়ে আফগানিস্তানে প্রবেশ করা ট্রাকগুলো থেকে সরাসরি তেল সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করি আমরা। দেখতে পাই যে, তেলগুলোর গুণগত মান সরকার নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ডের নয়। বরং তারচেয়ে নিম্নমানের। তাই আমরা তেল সমেত ইরান থেকে আগত ১৩টি ট্রাক ফেরত পাঠিয়েছি। আর যারা এসব তেল আমদানি করেছে সেসব কোম্পানিকে সতর্ক করে দিয়েছি। অন্যান্য ব্যবসায়ীদেরও সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে তারা যেনো দেশে নিম্নমানের কোনো পণ্য আমদানি না করে। অন্যথায় তাদের শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

সূত্র: বাখতার নিউজ

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ