spot_img
spot_img

আমেরিকার উপস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যকে নিরাপত্তাহীনতা ছাড়া কিছুই দেয়নি: ইরান

ইরাকের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান জানানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছে ইরান। একই সঙ্গে তেহরান বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকা ও তার মিত্রদের সামরিক উপস্থিতি সহিংসতা, অনিরাপত্তা, বিভাজন ও সন্ত্রাসবাদ ছাড়া আর কিছুই বয়ে আনেনি।

রোববার (৪ অক্টোবর) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে ইরাক থেকে আমেরিকাসহ অন্যান্য বিদেশি সেনা প্রত্যাহারকে স্বাগত জানিয়েছে। এতে এই প্রত্যাহারকে ইরাকের জাতীয় সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও স্বাধীনতা সুসংহত করার গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ২০০৩ সালের ২০ মার্চ ‘গণবিধ্বংসী অস্ত্র’ থাকার অভিযোগে ইরাকে আমেরিকার সামরিক আগ্রাসনের পর দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা সামরিক উপস্থিতির কারণে ইরাক ও পুরো অঞ্চলে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানি, ইরাকের অবকাঠামো ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, পরিবেশ বিপর্যয় এবং আবু গারিব কারাগারে নির্যাতনের মতো যুদ্ধাপরাধের ঘটনাও রয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, আমেরিকা ও তার মিত্রদের সামরিক উপস্থিতি ইরাক ও আশপাশের অঞ্চলে তাকফিরি সন্ত্রাসবাদ এবং আইএসের উত্থানের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে।

বিবৃতিতে ইরাকি জনগণের দখলদারিত্ব, সন্ত্রাসবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও দৃঢ়তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। একই সঙ্গে ইরাকের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান জানানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দখলদারিত্ব ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নিহতদের স্মরণ করে। এ সময় ইরাকি প্রতিরোধের নেতা আবু মাহদি আল-মুহান্দিস ও ইরানের জেনারেল হাজ্বী কাসেম সোলাইমানির কথাও বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়।

বিবৃতিতে ইরাকের জনগণের ওপর সংঘটিত অপরাধ ও ক্ষয়ক্ষতির জন্য আমেরিকার সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

সূত্র: ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মেহের নিউজ, রয়টার্স

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ