spot_img
spot_img

রাশিয়ায় পালিয়ে যেতে পারেন খামেনি; দাবি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাশিয়ায় পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে বলে দাবি করেছে ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য টাইমস।

সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভ আরও তীব্র হলে খামেনি রাশিয়ায় পালাতে পারেন।

রবিবার (৪ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ দাবি করে সংবাদামাধ্যমটি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পরিকল্পনাকে ব্রিটিশরা ‘প্ল্যান বি’ বলে উল্লেখ করেছে। এতে ৮৬ বছর বয়সী খামেনি এবং তার ২০ জন ঘনিষ্ঠ সহযোগী, পরিবারের সদস্য ও সহকারী থাকবেন। এছাড়াও পরিকল্পনায় খামেনির বিশাল সম্পদের নেটওয়ার্কও নেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।

দ্য টাইমস বলছে, “প্ল্যান বি” খামেনি এবং তার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও পরিবারের জন্য, যার মধ্যে তার পুত্র ও নির্বাচিত উত্তরাধিকারী মজতবা রয়েছে।

প্রতিবেদনটি আরও জানায়, প্রাক্তন ইসরাইলি গোয়েন্দা কর্মকর্তা বেনি সাবতি বলছেন, খামেনি রাশিয়ায় যাবেন কারণ তার অন্য কোনো জায়গা নেই।

খামেনি পূর্বেও বলেছেন, “আমি পুতিনকে শ্রদ্ধা করি, এবং ইরানের সংস্কৃতি রাশিয়ার সংস্কৃতির সঙ্গে বেশি মিল রাখে।”

দ্য টাইমস যে পরিকল্পনাটি প্রকাশ করেছে, তা প্রাক্তন সিরীয় স্বৈরশাসক বাশার আল-আসাদ-এর ব্যবহৃত পরিকল্পনার অনুরূপ। নভেম্বর ২০২৪-এ ক্ষমতা পতনের পর আসাদ মস্কোর দিকে পালিয়েছিলেন।

দ্য গার্ডিয়ান জানায়, বর্তমানে আসাদ রাশিয়ায় বিলাসবহুল জীবন যাপন করছেন এবং চক্ষুবিজ্ঞানে দক্ষতা বাড়াচ্ছেন।

আসাদের পরিবারের একজন বন্ধু জানিয়েছেন, “তিনি রাশিয়ান ভাষা শিখছেন এবং চক্ষুবিজ্ঞানে দক্ষতা বাড়াচ্ছেন। এটি তার নেশা; অর্থের প্রয়োজন নেই। তার লক্ষ্য গ্রাহক হবে মস্কোর ধনী এলিট।”

ইরানে বিক্ষোভ বৃদ্ধি পাওয়ায়, ট্রাম্প প্রশাসন তেহরানের ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানি শাসনব্যবস্থার সঙ্গে একইভাবে মোকাবেলা করা যেতে পারে, যেমন তিনি শনিবার প্রাক্তন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো-র সঙ্গে করেছেন। এটি বিক্ষোভকে প্রভাবিত করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

সূত্র: আরিয়ানা নিউজ, দ্য গার্ডিান, দ্য টাইমস

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ