বৃহস্পতিবার | ২২ জানুয়ারি | ২০২৬
spot_img

সশস্ত্রবাহিনী ও বিজিবিকে ধৈর্য ধরার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

মিয়ানমার ইস্যুতে বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনী ও বিজিবিকে (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) ধৈর্য ধারণ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ ওই ঘটনাটি বাংলাদেশ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মজিবুল হক চুন্নুর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এ কথা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের পক্ষে আইনমন্ত্রী সংসদে প্রশ্নোত্তরে সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের জবাব দেন।

সম্পূরক প্রশ্নে মুজিবুল হক চুন্নু জানতে চান, মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহী বাহিনীর অনেকটা যুদ্ধের মতো চলছে। সেখান থেকে সাধারণ মানুষ অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে এবং গোলাগুলি হচ্ছে। সেটা এসে বাংলাদেশের মধ্যে পড়ছে। মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আমাদের সীমান্ত নিরাপত্তার প্রশ্নে, মানুষের নিরাপত্তার প্রশ্নে সরকার কি কি ব্যবস্থা নিয়েছে।

জবাবে মন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, এই ব্যাপারে সরকার ওয়াকিবহাল আছে। আজকে যে ঘটনা হয়েছে, ৭৮ জন মিয়ানমারের বর্ডার পুলিশও বাংলাদেশে চলে এসেছে। তাদের মধ্যে কিছু কিছু আহতও আছে, তাদেরকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। তাদের একটি স্কুলে আপাতত রাখা হয়েছে। মিয়ানমারের সাথে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আলোচনার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আমরা সেই আলোচনা করার জন্য এবং তাদেরকে ফেরত পাঠানোর জন্য, ফেরত পাঠানো যদি না যায় তাহলে অন্য কি ব্যবস্থা নেয়া যায় সেটা দেখা হবে। মন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে নির্দেশ দিয়েছেন সেটা হলো যে, আমাদের সশস্ত্রবাহিনী বা আধা সামরিক বাহিনী যেটা আছে বর্ডার ফোর্স তাদেরকে ধৈর্য ধারণ করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বর্ডারে স্কুলগুলো বন্ধ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর আগে মর্টার শেলিংয়ে আমাদের একজন এবং ওদের একজন মারা গেছে।

spot_img
spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ