ইরানের সর্বোচ্চ নেতার সামরিক উপদেষ্টা মোহসেন রেজায়ি বলেছেন, ইরানি বাহিনী বৈরুতের দক্ষিণ উপকণ্ঠে ইসরাইলের যেকোনো অগ্রযাত্রার অপেক্ষায় ছিল, যাতে উত্তর ইসরাইলকে নরকে পরিণত করা যায়।
আমেরিকা ও ইসরাইলের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধের সময় ইরানের সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
মোহসেন রেজায়ি বলেন, “আমাদের শুধু অপেক্ষা করতে হতো, শত্রু কখন দক্ষিণ উপকণ্ঠের দিকে অগ্রসর হয়। আমাদের সব ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত ছিল। অধিকৃত ভূখণ্ডের উত্তরে ৪০ দিনের যুদ্ধকে আমরা ইসরাইলের জন্য বহু গুণ বেশি নরকে পরিণত করতাম।”
তার এ কথায় ইঙ্গিত পাওয়া যায়, বৈরুতের দক্ষিণ উপকণ্ঠে ইসরাইলের যেকোনো আগ্রাসনের জবাব দিতে ইরান ব্যাপক সামরিক পরিকল্পনা প্রস্তুত করে রেখেছিল। বৈরুতের দক্ষিণ উপকণ্ঠ লেবাননের সংগঠন হিজবুল্লাহর একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্ত ঘাঁটি। হিজবুল্লাহ তেহরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক মিত্র।
একদিকে আমেরিকা ও ইসরাইল, অন্যদিকে ইরানের মধ্যকার যুদ্ধ শুরু হয় ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি। এই সংঘাতে সব পক্ষই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে। ইসরাইল সামরিক অবকাঠামোর উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি ও বড় ধরনের ব্যয়ের কথা স্বীকার করে। অন্যদিকে ইরানের অর্থনৈতিক ও সামরিক অবকাঠামোতেও ক্ষয়ক্ষতি হয়।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটোর











