বাক স্বাধীনতার অজুহাত দেখিয়ে যে কোন সভ্যতার বিরুদ্ধে অপমানজনক কর্মকান্ড ঘটানো উচিত নয় বলে জানিয়েছেন চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং। এছাড়াও এরকম উস্কানি মূলক কর্মকাণ্ড সভ্যতা গুলোর মধ্যে সংঘাত সৃষ্টির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
সুইডেনে কুরআন পোড়ানোর প্রতিক্রিয়ায় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
মাও নিং বলেন, চীন সভ্যতা গুলোর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও বিভিন্ন জ্ঞান আদান প্রদান সমর্থন করে। এছাড়া সভ্যতাগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ সৃষ্টির পাশাপাশি নির্দিষ্ট কোন ধর্মকে লক্ষ্য করে চরমপন্থী কার্যক্রমেরও বিরোধিতা করে চীন।
গত বুধবার ঈদের দিন ইরাকি বংশোদ্ভূত ৩৭ বছর বয়সী সালওয়ান মোমিকা সুইডেনের স্টকহোম মসজিদের সামনে প্রকাশ্যে পবিত্র কোরআনের একটি কপি পুড়িয়ে দেন। এসময় তার নিরাপত্তায় সুইডিশ পুলিশ সেখানে অবস্থান করছিল।
এ ঘটনাটি তুরস্ক জর্ডান, ফিলিস্তিন, সৌদি আরব, মরক্কো, ইরাক, ইরান, পাকিস্তান, সেনেগাল, মরক্কো এবং মৌরিতানিয়া সহ সমগ্র মুসলিম বিশ্বে ব্যাপক নিন্দার জন্ম দেয়।
ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধ করার জন্য মুসলিম দেশগুলোর প্রতি সম্মিলিত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে।
যদিও সুইডিশ প্রধানমন্ত্রী দেশের আইন অনুযায়ী এ বিষয়টির অনুমতি প্রদান করলেও ‘এটি উপযুক্ত নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন।
উল্লেখ্য, এবছরের জানুয়ারিতে সুইডেনের উগ্র ডানপন্থী একজন রাজনীতিবিদ দেশটির তুর্কি দূতাবাসের বাইরে পবিত্র কোরআন পুড়িয়ে দেন। যা সুইডেনের ন্যাটো জোটে অন্তর্ভুক্তিকে কঠিন করে তোলে।
সূত্র: ইয়ানি সাফাক











