spot_img
spot_img

স্বৈরাচারের প্রেতাত্মারা ষড়যন্ত্রের বীজ বপনের চেষ্টা করছে : তারেক রহমান

বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানে বাধ্য হয়ে স্বৈরাচারের মাথা পালিয়েছে, কিন্তু তার প্রেতাত্মারা সমাজে এবং প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় এখনও রয়ে গেছে। এ সব স্থানে থেকে তারা তাদের ষড়যন্ত্রের বীজ বপনের চেষ্টা করছে।

আজ মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে যশোর টাউন হল মাঠে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা বিএনপি আয়োজিত এক স্মরণসভায় ‘ভার্চূয়াল প্লাটফর্মে’ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, দেশের এই ক্রান্তিকালে তরিকুল ইসলামের মতো আদর্শবান ও নির্লোভ রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বের অভাব অনুভব করছি। তাঁর মতো সাংগঠনিক দক্ষতা-সম্পন্ন রাজনীতিক বেঁচে থাকলে আমরা আরও গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ পেতে পারতাম, যা দেশ ও দলের জন্য ভালো কিছু বয়ে আনতে পারত।

২৩ মিনিটের বক্তৃতায় তারেক রহমান ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী কঠিন সময়ে পিজি হাসপাতালে মরহুম তরিকুল ইসলামের সাথে এক মিনিটের কথোপকথোনের স্মৃতি স্মরণ করে বলেন, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির মধ্যে তিনি (তরিকুল ইসলাম) শুধু একটি কথা বলেছিলেন, ‘তারেক, নিজেকে শক্ত রাখো, ইনশাআল্লাহ সব ঠিক হয়ে যাবে। সেদিন উনার এই একটি কথা আমাকে অনেক সাহস জুগিয়েছিল।’

মরহুম তরিকুল ইসলামের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের বর্ণনা দিয়ে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ক্রান্তিকালে তার মতো একজন রাজনীতিকের অভাব বোধ করছে দেশে ও দেশের মানুষ।

যশোর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকনের সভাপতিত্বে এ স্মরণসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুন্ডু, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইউব, আবুল হোসেন আজাদ ও সাবিরা নাজমুল মুন্নী এবং জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু।

স্মরণ সভায় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ও মরহুম তরিকুল ইসলামের কনিষ্ঠ পুত্র অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও মরহুম তরিকুল ইসলামে সহধর্মীনী অধ্যাপক নার্গিস ইসলামসহ যশোর জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।

যশোর জেলার প্রতিটি উপজেলাসহ আশে-পাশের জেলা থেকে আসা হাজার হাজার বিএনপি নেতা-কর্মীদের ভীড়ে এই স্মরণসভা রূপ নেয় বিশাল এক জন-সমাবেশে। স্মরণসভা শুরুর নির্ধারিত সময় বিকেল তিনটার আগেই টাউন হল মাঠ জনসমুদ্রে পরিণত হয়। এক পর্যায়ে মানুষের ঢল জনসভাস্থল পেরিয়ে আশপাশের রাস্তা ও অলিগলিতে ছড়িয়ে পড়ে।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ