দেশে সয়াবিন চাষে আসছে সুখবর। গবেষণাগারে সফলতার পর এবার কৃষক পর্যায়ে সয়াবিনের চারটি উচ্চফলনশীল জাতের চাষে মিলেছে ভালো ফলন। নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরে এই মাঠ গবেষণা পরিচালনা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। চলতি রবি মৌসুমের পর নতুন জাতগুলোকে অবমুক্ত করার বিষয়ে আশাবাদী তারা।
সয়াবিন চাষে তৃপ্তির হাসি নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুরের চাষীদের মুখে। বিইউ-১ ও বিইউ-২ দুটি জাতের পর এবার আরও উচ্চ ফলনশীল সয়াবিন চাষে মিলেছে ভালো ফলন।
চাষিরা জানান, এটা করে আমরা প্রচুর লাভবান হচ্ছি। আগে শতকে ৭-৮ কেজি করে সয়াবিন পেতাম, এখন শতকে পাচ্ছি ১৩ থেকে ১৪ কেজি। আগে অল্প কিছু জমিতে চাষ হতো, এখন রামগতি, কমলনগর, সুবর্ণচর, রায়পুর- এসব জায়গায় গেলে রবি মৌসুমে দেখতে পাবেন সয়াবিন আর সয়াবিন।
সলিডারিড্যাড নেটওয়ার্ক এশিয়ার সয়াবিন চাষ প্রকল্পের সমন্বয়ক ফরহাদ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, একটি লাইনের মধ্যে এসিএস থ্রি ওয়ান থ্রি লাইনের সফলতা ভালো। এটা কাঁদা মাটিতে ছিটিয়ে দেওয়ার পরও দেখা যাচ্ছে সে জার্মিনেট করছে। প্রায় শতভাগ জার্মিনেশন পাচ্ছি।
এক যুগেরও বেশি সময়ে সয়াবিন নিয়ে গবেষণা করে আসছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। লবণ সহিষ্ণু, খরা সহিষ্ণু কিংবা অধিক পানি সব পরিবেশেই ভালো ফলন আসছে উদ্ভাবিত নতুন জাতে।











