বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানিয়েছেন, জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে বিপর্যয় নাশকতা কিনা, তা যাচাই-বাছাই চলছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
যে দুটি তদন্ত কমিটি আপনারা গঠন করেছেন পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট কবে পাবেন- জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা আশা করছি যে, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই রিপোর্টগুলো আসবে। সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ বলেন, এখানে দুটো জিনিস। একটা হলো এখনো পলিটিক্যাল পার্সনদের কাছে যেটা শুনতেছি, এরকম ঘটনা আরও হবে। এটা ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বললেন- আরও হবে এর মানে কিন্তু এখানে অন্যরকম ষড়যন্ত্রের কথা। উনি জানেন কীভাবে? জানেন কীভাবে ভবিষ্যতে আরও হবে, এত বছর হলো না। এখানে কোনো অন্যরকম নাশকতা আছে কিনা, সেটাও যাচাই-বাছাই চলছে। এটা হচ্ছে একটা বিষয়। আর দ্বিতীয় বিষয় হচ্ছে অবশ্যই টেকনিক্যাল সাইটটাও আমরা দেখতেছি।
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ বলেন, ২০১৪ সালের ঘটনাটি ছিল একরকম। আর এই ঘটনাটি অন্যরকম। দুইটা দুই রকম ঘটনা। ওইখান থেকে যা নেওয়ার তার থেকে অনেক দূর পিজিসিবি অ্যাডভান্স লেভেলে চলে গেছে। পাওয়ার রিস্টোর করতে মানে কত দ্রুত আনতে পারি, বিভিন্ন উন্নত বিশ্বে কয়েক দিন আগে রেকর্ড আছে, তিন দিন-চার দিন লেগে গেছে কিন্তু আমরা সেদিকে যাচ্ছি না।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সবাই এক সঙ্গে কাজ করার কারণে কিন্তু আমরা দ্রুততার সঙ্গে আনতে (রিস্টোর) পেরেছি। এক ঘণ্টা পর থেকেই কিন্তু শুরু হয়ে গিয়েছিল রিস্টোর করা। এটা একটি বড় জিনিস, অবশ্যই টেকনিক্যাল ফল্ট এখানে আছে। একদম পিন টু পিন যদি আমি আমরা ধরতে যাই, তাহলে একটু সময় লাগবে। এ কারণে আমি দুটি কমিটি করে দিয়েছি। একটি কমিটিতে বিদ্যুৎ বিভাগের ভেতরের লোক আরেকটি কমিটিতে হলো বিদ্যুৎ বিভাগের বাইরের লোক।










