যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রদের সঙ্গে রাশিয়ার তেল সরবরাহের ওপর সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে আলোচনার খবরে তেলের দাম ২০০৮ সালের পর সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে।
আজ সোমবার বিবিসি জানায়, এশিয়ার বাজারে অপরিশোধিত তেলের (ব্রেন্ট ক্রুড অয়েল) দাম প্রতি ব্যারেলে ১৩৯ ডলারের ওপরে উঠে যায়। পরে ১৩০ ডলারে নেমে আসে।
রোববার আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, গত সপ্তাহজুড়ে পেট্রোলের দাম ১১ শতাংশ বেড়ে ২০০৮ সালের পর সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে, ব্রিটিশ অটোমোবাইল সার্ভিস কোম্পানি আরএসি জানিয়েছে, ব্রিটেনে পেট্রোলের দাম গড়ে প্রতি লিটারে ১ পাউন্ড ৫০ পেনি বেড়েছে।
চলমান যুদ্ধের কারণে গ্যাসের দামও বেড়েছে এবং ব্রিটেনে বসতবাড়িতে বার্ষিক গ্যাসের বিল তিন হাজার পাউন্ড পর্যন্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
রোববার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন জানিয়েছিলেন, বাইডেন প্রশাসন ও তার মিত্ররা রাশিয়ার তেল সরবরাহের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে আলোচনা করছে।
পরে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি জানান, চেম্বার রাশিয়ান তেল আমদানি নিষিদ্ধ করার জন্য আইন প্রণয়নের কথা ভাবছে এবং এ সপ্তাহে কংগ্রেস রাশিয়ার সামরিক আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়ায় ইউক্রেনের জন্য ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা প্রদানের ইচ্ছে পোষণ করেছে।
মার্কিন কর্মকর্তাদের এমন ঘোষণার পর থেকে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলে দাম বাড়ছে এবং পুঁজিবাজারেও দরপতন ঘটছে।
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল রপ্তানিকারক রাশিয়া দৈনিক ৪০ থেকে ৫০ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করে থাকে। ফলে মস্কোর ওপর জ্বালানি রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দিলে তা সংকট আরও বাড়িয়ে দেবে।











