ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ইউক্রেনের সেনাদের পাল্টা আক্রমণ ঠেকাতে রুশ সেনারা বিশাল এ জলাধারের বাঁধে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। রাশিয়া সব চেষ্টা করলেও নিজেদের দখলকৃত অঞ্চলগুলো আমরা ফিরিয়ে নেবো। বাঁধ বিস্ফোরণেও ইউক্রেনের সামরিক পরিকল্পনা বাধাগ্রস্ত হবে না।
মঙ্গলবার (৬ জুন) এক ভিডিও বার্তায় জেলেনস্কি দাবি করেছেন, রাশিয়া বুঝতে পেরেছে কয়েকদিন পর তাদের ক্রিমিয়াও ছাড়তে হবে। আর ক্রিমিয়া ছাড়ার আগে সেখানকার পানি সরবরাহের সবচেয়ে বড় অবকাঠামো ধ্বংস করে দিয়েছে তারা।
একই দিনে ইউক্রেনের খেরসনের নোভা কাখোভকার দিনিপ্রো নদীর বাঁধে বিস্ফোরণ হয়। এরপরই বাঁধ ফেটে আশপাশের অঞ্চলগুলো পানির নিচে তলিয়ে যায়।
তিনি বলেন, বিষয়টি হলো রাশিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে কাখোভকা জলাধার ধ্বংস করেছে, যেটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, ক্রিমিয়ায় পানি সরবরাহের জন্য। এটি ইঙ্গিত করছে রাশিয়ান দখলদাররা বুঝতে পেরেছে তাদের ক্রিমিয়া থেকেও পালাতে হবে।
তিনি আরও বলেছেন, জলাধার ধ্বংস করলেও আমরা আমাদের অঞ্চল স্বাধীন করা অব্যাহত রাখব। এই বাঁধ ধ্বংস রাশিয়ার পরাজয় আটকাবে না। উল্টো যুদ্ধ শেষে যখন তাদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে তখন খরচ আরও বাড়বে।
তবে বাঁধ ধ্বংসের জন্য ইউক্রেনের ওপর দায় চাপিয়েছে রাশিয়া। মস্কোর দাবি, ইউক্রেনীয় সেনারা তাদের বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে। কিন্তু এতে তারা ব্যাপকভাবে ব্যর্থ হয়েছে। আর এ বিষয়টি থেকে মানুষের নজর সরাতে বাঁধ ধ্বংস করা হয়েছে।
রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই সোইগু মঙ্গলবার দাবি করেন, পাল্টা আক্রমণ চালাতে গিয়ে মাত্র তিনদিনে ইউক্রেনের ৩ হাজার ৭১৫ জন সেনা নিহত হয়েছেন।
সূত্র: আল জাজিরা












