কয়েক দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালির বাইরে নতুন একটি ‘নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল’ ঘোষণা করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মহসেন রেজায়ি। তার ভাষ্য, এই অঞ্চল উপসাগরের বিভিন্ন এলাকায় বিস্তৃত থাকবে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন রেজায়ি।
রেজায়ি বলেন, আমেরিকা যেখান থেকে নৌ অবরোধ শুরু করেছে, সেখান থেকেই নতুন ‘নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল’ শুরু হবে। নতুন এই অঞ্চলে কোনো জাহাজ প্রবেশ করলে সেটিকে ইরানের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় যুক্ত করা হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
এদিকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের জন্য নতুন একটি আন্তর্জাতিক করিডর নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেজায়ি। তার ভাষ্য, ওমানের সঙ্গে আলোচনার পর এই করিডর নির্ধারণ করা হয়েছে।
রেজায়ি বলেন, নতুন করিডরটি ইরান পরিচালনা করবে। ওমানের সঙ্গে আলোচনা করেই এটি নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এ বিষয়ে ঘোষণা আসবে।
এর আগে ইরান ও ওমানের মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য একটি অস্থায়ী করিডর নিয়ে সমঝোতার কথা জানিয়েছিলেন রেজায়ি। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, দুই দেশের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে একটি অস্থায়ী করিডর চালুর বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও দখলদার অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইল ইরানে হামলা চালায়। এরপর থেকেই হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে সামরিক উত্তেজনা তীব্র হয়েছে। বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সাধারণত এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। ফলে হরমুজকে ঘিরে চলমান সংঘাতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে।
এর মধ্যে হরমুজ প্রণালির নাম পরিবর্তনের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। ২ সেপ্টেম্বর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালির নাম পরিবর্তন করে নিজের নামে ‘ট্রাম্প প্রণালি’ রাখার কথা প্রকাশ্যে বলেন। আল-জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সূত্র: ইরনা












