spot_img
spot_img

পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচনে নিহত ২৯ জন

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে সহিংসতায় নিহত হয়েছেন ১৭ জন। মনোনয়নপর্ব থেকে শুরু করে ভোট পর্যন্ত ৩৯ জনের প্রাণ গেছে। ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে সহিংসতায় মৃত্যু হয় ২৩ জনের।

নিহতদের মধ্যে যেমন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী, সমর্থকরা রয়েছে। তেমনি এক পঞ্চায়েত প্রার্থী ও ভোটের লাইনে দাঁড়ানো ভোটারও রয়েছে।

শনিবার সকাল ৭টায় শুরু হয় ভোট গ্রহণ পর্ব, চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। কিন্তু তার অনেক আগে থেকেই বিভিন্ন জেলায় শুরু হয় সহিংসতা। আসতে থেকে একের পর এক মৃত্যুর খবর। এর পাশাপাশি বুথ জ্যাম, জাল ভোট, ভোটারকে ভয় দেখানো, নির্দলীয় প্রার্থী ও তার সঙ্গীদের লক্ষ্য করে বন্দুক উঁচিয়ে ধাওয়া করা, ব্যালট বাক্স ছিনিয়ে নেওয়া, ব্যালট বাক্সে অগ্নিসংযোগ করাসহ রাস্তা অবরোধের একাধিক অভিযোগ উঠেছে।

সবচেয়ে বেশি সহিংসতা ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে রাজ্যটির মুর্শিদাবাদ জেলায়। এই জেলায় সর্বাধিক চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া কোচবিহার ও পূর্ব বর্ধমান জেলায় দুজন করে ও মালদা, নদীয়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় একজন করে মৃত্যু হয়।

গোটা রাজ্যে এক দফাতেই এই পঞ্চায়েত ভোট নেওয়া হয়। রাজ্যটির ২২ জেলার মধ্যে দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায় দ্বিস্তরীয় ভোট (গ্রাম সভা, পঞ্চায়েত সমিতি) ও বাকি জেলাগুলোতে ত্রিস্তরীয় (গ্রাম সভা, পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদ) ভোট নেওয়া হয়।

ভোট নেওয়া হয় ব্যালট পেপারে। শনিবার সকাল থেকে ভোটকেন্দ্রগুলোতে লম্বা লাইন দেখা যায়। কিন্তু সবকিছুকে ছাপিয়ে সংবাদের শিরোনাম হয় সহিংসতা। আগামী ১১ জুলাই ভোট গণনা হবে। ফলে ভোটকে কেন্দ্র করে আগামী দিনগুলোতেও যে মৃত্যুর ঘটনা ঘটবে না তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

এই নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপি, বামফ্রন্ট-কংগ্রেসের জোট প্রার্থীরা। তবে কিছু আসনে কড়া চ্যালেঞ্জ দিতে পারে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ)-এর প্রার্থীরা।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ