spot_img
spot_img

নির্বাচন নয়, যেন ঈদের আনন্দ; ফাঁকা হচ্ছে ঢাকা

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে রাজধানীসহ বড় শহরগুলো ছাড়তে শুরু করেছে সাধারণ মানুষ। ভোট দেওয়ার তাগিদে মানুষের এই বাড়ি ফেরার দৃশ্য চোখে পড়ার মতো। বাসস্ট্যান্ডে দূরপাল্লার বাস ধরতে ঘরমুখো ভোটারদের ব্যতিব্যস্ত। অনেকেই পরিবার নিয়ে অপেক্ষা করছেন বাসের জন্য। আবার দল বেঁধে পিকআপে, ট্রাকে বাড়ির পথে চলেছে মানুষ। এর সঙ্গে অভিযোগ উঠেছেন যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া বেশি নেওয়ার।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই গাবতলী, সায়েদাবাদ, মহাখালী বাস টার্মিনাল ও কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে দেখা গেছে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড়।

আগামীকাল বুধবার শেষ কর্মদিবস হওয়ার কথা থাকলেও অনেকেই আগেভাগেই পরিবার নিয়ে রওনা দিয়েছেন। বাস টার্মিনালগুলোতে ঈদের সেই চিরচেনা দৃশ্য।

পরিবহণ সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামীকাল বুধবার থেকে ভিড় আরও বাড়বে। বাসের আগাম টিকিটও প্রায় শেষ।

রাজধানীর কমলাপুর স্টেশনেও ট্রেনের টিকিটের জন্য দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা গেছে। কয়েক বছর পর একটি উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেয়ার সুযোগ পেয়ে সবাই এভাবে নিজ এলাকায় ছুটছেন বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা।

চাকরি ও কর্মসূত্রে ঢাকা ও গাজীপুরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের লাখ লাখ মানুষ বসবাস করেন। কর্মজীবী এই বিপুল সংখ্যক মানুষের স্থায়ী ঠিকানা গ্রামে, মফস্বল শহরে। তারা নিজ নিজ এলাকার ভোটার। গত ১৭ বছর ধরে ভোট দিতে না পারা বহু মানুষ এবার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে চান, যা নির্বাচনি প্রচারের সময় স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ ঘিরে তিন দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলেও পোশাক শ্রমিকরা পেয়েছেন চার দিনের ছুটি। এই সুযোগে ঢাকা ও গাজীপুরের অস্থায়ী ঠিকানার ভোটাররা তাদের স্থায়ী ঠিকানার পথে ছুটেছেন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রায় দেবেন দেশের প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকরা। এই উপলক্ষে ১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার), ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সাধারণ ছুটি। পরদিন শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি। অবশ্য শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক, কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারিও (মঙ্গলবার) ছুটি। এই সূচি ধরে যেমন ভোট দেওয়ার জন্য, তেমনি স্বজনদের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্যও মানুষ বাড়ি ছুটছে।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ