তালেবান চীনকে আফগানিস্তানের ‘বন্ধু’ হিসেবে বিবেচনা করে বলে জানিয়েছে সংগঠনটির মুখপাত্র সুহাইল শাহিন।এবংকি যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানের পুনর্গঠনে চীন বিনিয়োগ করবে বলে আশা করছে তালেবান।
তালেবানের মুখপাত্র সুহাইল শাহিন সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন।
সুহাইল শাহিন আফগানিস্তানের ৮৫ শতাংশ তালেবানের নিয়ন্ত্রণে আছে জানিয়ে দেশটির পুনর্গঠনে চীন বিনিয়োগ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
তালেবান ক্ষমতায় গেলে আফগানিস্তান পূর্ব তুর্কিস্তান ইসলামিক আন্দোলনের (ইটিআইএম) জন্য কেন্দ্র হয়ে উঠবে বলে চীন উদ্বেগ প্রকাশের পর তালেবানের তরফ থেকে এই মন্তব্য করা হলো।
এর আগে তালেবানের সঙ্গে আল-কায়েদার সংশ্লিষ্টতা আছে বলেও সন্দেহ প্রকাশ করেছিল চীন। এমনকি চীনের জিনজিয়াংয়ে উইঘুর আন্দোলনের পেছনে তালেবানের ইন্ধন আছে বলে অভিযোগ করে আসছিল বেইজিং।
কিছুদিন আগে চার্টার্ড বিমানে করে আফগানিস্তানে থাকা ২১০ চীনা নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে নিয়েছে বেইজিং।
এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ি বলেছিলেন, আফগানিস্তানের পরিস্থিতি চীন আর পাকিস্তান- দুই দেশের ওপরই প্রভাব ফেলছে। তাই আঞ্চলিক শান্তি রক্ষায় বেইজিং ও ইসলামাবাদের একসাথে কাজ করা দরকার।












