টানা দ্বিতীয়বারের মত আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম ঘনবসতিপূর্ণ দেশ ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী হয়েছে আবি আহমেদ আলী। তার ক্ষমতাসীন প্রসপেরিটি পার্টি ৪৩৬টির মধ্যে ৪১০টি আসনে বিজয়ী হয়েছে।
দেশজুড়ে সংঘাতের মধ্যেই গত ২১ জুন ইথিওপিয়ায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এরই অংশ হিসেবে স্থানীয় সময় শনিবার ফলাফল ঘোষণা করে জাতীয় নির্বাচন বোর্ড। এতে দেখা গেছে অধিকাংশ আসনে তার দল বিজয়ী হয়েছে। তবে রাজনৈতিক উত্তেজনায় কিছু আসনে ভোটগ্রহণ হয়নি। সেগুলো আপাতত শূন্য থাকার কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। ২০১৮ সালে প্রথমবার ক্ষমতায় বসেন আবি আহমেদ।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশজুড়ে বিক্ষোভ, অরাজকতা ও করোনার সংক্রমণের মধ্যেই আবি আহমেদ নাটকীয়ভাবে ফের ক্ষমতায় বসছেন। বিশেষ করে টাইগ্রে অঞ্চলে সংঘাতের কারণে তার সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছে বিশ্ববাসী।
এদিকে গত মাসের অনুষ্ঠিত নির্বাচন বর্জন করে কয়েকটি বিরোধী দল। তাদের অভিযোগ ক্ষমতাসীন পার্টি দেশের উত্তরাঞ্চলীয় টাইগ্রেতে সামরিক হয়রানি ও ভয়ভীতি অব্যাহত রেখেছে। সেখানে সরকারি বাহিনী গত নভেম্বর মাস থেকে বিদ্রোহী সশস্ত্র দলের সঙ্গে লড়াইয়ে লিপ্ত রয়েছে। সরকারি বাহিনীর বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছে শত শত বেসামরিক মানুষ।
এই আঞ্চলিক লড়াই, টাইগ্রে অঞ্চলে এক বৃহৎ মানবিক সঙ্কটের সৃষ্টি হয়েছে এবং জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী প্রায় ৪ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষের মুখোমুখি।
২০১৯ সালে শান্তিতে নোবেল জয় করেন আবি আহমেদ। আবি ইথিওপিয়ার অরোমিয়া এলাকার ঐতিহাসিক কাফ্ফা প্রদেশ এর (বর্তমান জিমা অঞ্চল) বিশাসাতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা আহমেদ আলি ছিলেন মুসলমান অরোমু সম্প্রদায়ের লোক। আবির মা তিজিটা ওল্ডে ছিলেন খ্রিস্টান আমহারা সম্প্রদায়ের। আবি তার বাবার ১৩তম সন্তান এবং তার মায়ের ৬ষ্ঠ ও ছোট সন্তান।











