ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী রেজাউল করীম বলেছেন, ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই জালিম সরকারকে হটাতে হবে। এর কোন বিকল্প নেই।
চরমোনাই পীর বলেন, সরকার জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে দেশকে অস্থিতিশীলতার দিকে নিয়ে যেতে চায়। আগামী নির্বাচনে ভোট চোরদের উচিত শিক্ষা দেয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, দেশে ইসলামের বিরুদ্ধে একটি চক্র মরিয়া হয়ে উঠেছে। সিনেমা, নাটক, উপন্যাসে ইসলামকে বিকৃত করে উপস্থাপন এবং শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা বাতিলের মাধ্যমে তরুণদের চরিত্র ধ্বংস করা হচ্ছে। ফলে সন্ত্রাস, মাদক, ধর্ষণের মতো অপরাধ বাড়ছে।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ নুরজাহান হোটেলের কনফারেন্স হলরুমে জাতীয় উলামা মাশায়েখ কুমিল্লা শাখার সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
চরমোনাই পীর বলেন, সম্প্রতি সুইডেনে পবিত্র কোরআন শরীফ পোড়ানোর ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশ ও মুসলিম বিশ্বে এ নিয়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠলেও মুসলিম হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখনো কোনো জাতীয় সংসদে নিন্দা প্রস্তাব পাশ করেনি। এটা খুবই দুঃখজনক। সুইডেনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্নসহ সংসদে সুইডেনের বিপক্ষে নিন্দা প্রস্তাব আনার দাবি জানান তিনি।

জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ কুমিল্লা জেলার সভাপতি মাওলানা মাহবুবুর রহমান আশরাফীর সভাপতিত্ব সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের উপদেষ্টা মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ, ড. আফম খালিদ হোসাইন, শায়খুল হাদীস আল্লামা নুরুল হক, ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, কুমিল্লা কওমী মাদ্রাসা সংগঠনের সভাপতি আল্লামা নুরুল হক, রানীর বাজার মাদ্রাসার মোহতামীম মাওলানা মনির হোসাইন, কাসেমুল উলুমের মোহতামিম মাওলানা আবদুর রাজ্জাক, মুফতী হেমায়েতুল্লাহ কাসেমী, মুফতী রেজাউল করীম আবরার, মুফতী শাহজাহান হাবিবী, মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, মাওলানা মোহাম্মদ তৈয়্যব, মাওলানা রাশেদুল ইসলাম রহমতপুরী, মাওলানা নুর হুসাইন, মাওলানা এনামুল হক মজুমদার প্রমুখ।










