spot_img

ওবায়দুল কাদের রাজনৈতিক জোকার ছিলেন: চিফ প্রসিকিউটর

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় করা একটি মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

ট্রাইব্যুনালে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক জোকার ছিলেন ওবায়দুল কাদের। তার কারণেই আওয়ামী লীগের পতন ত্বরান্বিত হয়েছে।’

বুধবার (১২ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর মামলায় ষষ্ঠ দিনের মতো যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে প্রসিকিউশন (রাষ্ট্রপক্ষ)।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ। মামলার সব আসামি পলাতক।

যুক্তিতর্কে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ব্যক্তিগত দায় এই মামলার সব আসামির রয়েছে। পাশাপাশি তাদের সবার ‘সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি’ আছে।’

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘মামলার আসামিদের অপরাধ খুবই গুরুতর। হাজারো মানুষকে হত্যার জন্য তারা দায়ী। ৩৫ হাজারের মতো মানুষকে গুরুতর জখম করার জন্যও তারা দায়ী। আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ তারা প্রমাণ করতে পেরেছেন। তাই আসামিদের সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। আসামিরা কোনো ধরনের অনুকম্পা পাওয়ার হকদার নয়।’

আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, ‘এ মামলার আসামিরা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত অপরাধ ঠেকাতে পারেননি। বরং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ওবায়দুল কাদের অপরাধ ঠেকানোর চেষ্টা না করে সরাসরি মারার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। ওবায়দুল কাদের জেনেশুনেই নির্দেশনা দিয়েছেন যে এই ধরনের নির্দেশনার ফলাফল কী হতে পারে।’

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ