পানি সম্পদ উপমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম এমপি বলেছেন, আগামী বর্ষার আগেই নদী ভাঙন রোধে কাজ করছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। সারাদেশের নদী ভাঙন রোধে দ্রুত কাজ করছে সরকার। কোথাও যেন নদী ভাঙন না হয়, সে লক্ষ্যেই আগেই কাজ করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (১৩ জুন) দিনব্যাপী ৪৭৮ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন পদ্মা সেতুর ভাটিতে মুন্সিগঞ্জের লৌহজং ও টংগিবাড়ার বিভিন্নস্থানে পদ্মা নদীর বামতীর রক্ষা প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে এসব কথা বলেন পানি সম্পদ উপমন্ত্রী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পানি সম্পদ উপমন্ত্রী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্থায়ী প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বাংলাদেশের মানুষ অনেকাংশে জলাবদ্ধতা ও নদী ভাঙন থেকে রক্ষা পাবে। আর এর সুফল কয়েক বছরের মধ্যে মিলবে।
এনামুল হক শামীম বলেন, কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার কারণেই গত ১৩ বছরে সারা দেশে নদী ভাঙনের পরিমাণ সাড়ে ৯ হাজার হেক্টর থেকে সাড়ে ৩ হাজার হেক্টরে নেমেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষকের মুখে স্থায়ী হাসি দেখতে চান। এ কারণে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা করোনাকালিন সময় ও বন্যা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে কর্মীর মতো নিরলসভাবে কাজ করে গেছে। সারাদেশে ভাঙন রোধে কাজ করা হয়েছে। যে কারণে হাওড়ের কৃষকরা ফসল ঘরে তুলতে পেরেছেন। কোনো প্রকল্পের কাজ দুর্নীতি যাতে না হয় এবং কাজের ক্ষেত্রে যাতে গুণগত মান বজায় থাকে, সেজন্য নিয়মিত মনিটরিংও করা হয়।
কাজের ব্যাপারে কোনো ধরনের গাফিলতি, অনিয়ম ও দুর্নীতি সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ার করে এনামুল হক শামীম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী প্রজন্ম নিয়ে ভাবেন, সেজন্য তিনি আগামীর বাসযোগ্য বিশ্বমানের সুবিধা সম্বলিতদেশ গড়তে চান। এজন্য তিনি দূরদর্শী পদক্ষেপ নেন। সেজন্য তিনি ডেল্টাপ্লান-২১০০ বাস্তবায়নেরও ঘোষণা দিয়েছেন। আর এই মহাপরিকল্পনার সিংহভাগ কাজই পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন করবে। ফলে সারা দেশে নদী ভাঙন ও জলাবদ্ধতার কোনো সমস্যাই থাকবে না। মহাপরিকল্পনাটি বাস্তবায়নে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।










