আরব সাগরে সৃষ্ট অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়ের আঘাত ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে নেওয়া হচ্ছে ব্যাপক সতর্কতামূলক পদক্ষেপ। এরই অংশ হিসেবে ভারতের গুজরাটের উপকূলীয় এলাকার প্রায় ৩৮ হাজার মানুষকে ইতোমধ্যেই নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলে আঘাত হানতে পারে।
বুধবার (১৪ জুন) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। অন্যদিকে উপকূলীয় এলাকার হাজার হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে পাকিস্তানও।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘বিপর্যয়’ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভারতের গুজরাটের সৌরাষ্ট্র ও কচ্ছ অঞ্চল এবং দক্ষিণ পাকিস্তানের করাচি উপকূলে আঘাত হানতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে পোরবন্দর থেকে প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে পূর্ব-মধ্য আরব সাগরে অবস্থান করছে।
এদিকে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতের আগে উপকূলীয় অঞ্চল থেকে ৩৭ হাজার ৮০০ লোককে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তরিত করেছে গুজরাটের কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার এই ঘূর্ণিঝড়টি কচ্ছ জেলার জাখাউ বন্দরের কাছে স্থলভাগে আছড়ে পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে, ঘূর্ণিঝড়ের কবল থেকে বাঁচাতে উপকূলীয় এলাকার হাজার হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে পাকিস্তানও। দেশটির সিন্ধ প্রদেশের করাচির উপকূলীয় এলাকাগুলো থেকে ইতোমধ্যেই ১ লাখ মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
এনডিটিভি বলছে, ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে ভার্চুয়াল বৈঠকে ঘূর্ণিঝড়ের আগে গুজরাটের প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেছেন।
অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘বিপর্যয়’ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভারতের গুজরাট রাজ্যের মান্দভি এবং দক্ষিণ পাকিস্তানের করাচি উপকূলে আঘাত হানতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। আবহাওয়াবিদরা এই ঝড়ের বাতাসের গতি ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন।
তবে আঘাত হানার সময় ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়ের বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলেও সতর্ক করে দিয়েছেন তারা।
সূত্র: এনডিটিভি











