মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হকসহ কারাবন্দী সকল মজলুম আলেমের নিঃশর্ত মুক্তি দাবিতে দেশব্যাপী থানা-উপজেলায় মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস।
আজ (১৪ জুলাই শুক্রবার) কেন্দ্র ঘোষিত এই কর্মসূচী পালিত হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানা ও ঢাকার হাতিরঝিলে মানববন্ধনের সময় পুলিশী বাঁধার সম্মুখীন হয় ও সরকার দলীয় ক্যাডাররা ব্যানার ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনা ঘটে।
রাজধানীর প্রেসক্লাবের সামনে শাহবাগ থানা আয়োজিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি পরিষদ সদস্য মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী বলেন, দেশে অরাজক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। দেশীয় রাজনীতি বিদেশিদের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করছে। একটি স্বাধীন দেশের জন্য এটা লজ্জার বিষয়; সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি স্বরূপ। এই পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার কারণ হলো, জনগণের আস্থাশীল নেতাদেরকে কারাগারে বন্দি রেখে দেশের মানুষকে অভিভাবক শূণ্য বানিয়ে ফেলা হয়েছে। এর ফলে দেশে যেই স্থবির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এই স্থবিরতা বেশি দিন থাকতে পারে না। অতি দ্রুত মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হকসহ কারাবন্দী মজলুম আলেমদের মুক্তি দিয়ে জাতিকে আসন্ন বিপদ থেকে রক্ষা করুন। না হয় জাতির বিপদ থেকে আপনারাও রক্ষা পাবেন না। বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধনে বাধা ও আক্রমনের আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এছাড়াও বক্তারা বলেন, মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক নির্দোষ এটা জাতির সামনে প্রমাণিত। তারপরও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তাঁকে জামিন দেয়া হচ্ছে না। কোনো কারণ না দেখিয়েই মাসের পর মাস জামিন স্থগিত রাখা হচ্ছে। এভাবে মানুষের চাপা ক্ষোভ আর উস্কে দিবেন না। আন্দোলন এখন তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছেছে। তৃণমূল থেকে যে গণআন্দোলন গড়ে উঠবে তা রুখার সাধ্য আপনাদের নেই। তাই অতিদ্রুত মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হকসহ সকল মজলুম আলেমের মুক্তি দিন।
ঢাকা মহানগরীর ২২ টি থানায় (শাহবাগ, পল্টন ,মতিঝিল, রমনা, মিরপুর, লালবাগ, কামরাঙ্গিরচর, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, ডেমরা, যাত্রাবাড়ী, কদমতলী, হাজারীবাগ, আদাবর, কোতয়ালি, রামপুরা, হাতিরঝিল, মুগদা, দক্ষিণখান, উত্তরা পশ্চিম, ভাটারা ও বাড্ডা থানাতে) মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
এছাড়া ঢাকা জেলা দক্ষিণ, কেরানীগঞ্জ মডেল ও দক্ষিণ , সাভার, ধামরাই, কালামপুর, ময়মনসিংহ মহানগর, ময়মনসিংহের ১৩ টি উপজেলায়, কিশোরগঞ্জের ৬টি, নরসিংদীর তিনটি উপজেলায়, খুলনার ৫ টি , সুনামগঞ্জ ২ টি , মৌলভীবাজারে ৩ টি, গাজিপুরে ৪ টি, নারায়নগঞ্জে ৩ টি, মানিকগঞ্জে ৩টি, নোয়াখালী ২ টি উপজেলায়, এছাড়াও চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, জামালপুর, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, গাইবান্ধা, টাঙ্গাইল, বগুড়া, ফেনীসহ দেশের উল্লেখযোগ্য জেলা শহরের থানা পর্যায়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন হয়েছে।










