spot_img
spot_img

‘চাঁদাবাজি করলে বহিষ্কার হতাম না, ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধিতা করায় বহিষ্কার করেছে ছাত্রদল’

ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধিতা এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার কারণেই তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নোয়াখালীর বাঁধের হাট আবদুল মালেক উকিল ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হাসিবুল ইসলাম মারুফ।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. মহসিন রিয়াজ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে তাকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কারের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে’ হাসিবুল ইসলাম মারুফকে বহিষ্কার করা হয়েছে। জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেল ও সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান রাহান এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।

এর আগে রোববার (১১ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ছবি পায়ের নিচে রেখে নিজের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন মারুফ। পরদিন সোমবার তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় জেলা ছাত্রদল। এর একদিন পর তাকে বহিষ্কার করা হয়।

বহিষ্কারের পর নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মারুফ লেখেন, “চাঁদাবাজি করলে বহিষ্কার হতাম না, অনৈতিক কাজ করলে বহিষ্কার হতাম না, নেশাগ্রস্ত হলে বহিষ্কার হতাম না; ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধিতা করে ও রবীন্দ্রনাথের বিরোধিতা করে পোস্ট করায় আমাকে বহিষ্কার করেছে নোয়াখালী জেলা ছাত্রদল।”

নিজের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, কলেজ ছাত্রদলকে সংগঠিত করতে দীর্ঘদিন নিজ অর্থায়নে কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। রাজনীতির পরিচয় ব্যবহার করে বৈধ বা অবৈধভাবে কোনো অর্থ উপার্জন করেননি বলেও দাবি করেন তিনি।

বহিষ্কারের পেছনে সংগঠনের অভ্যন্তরীণ বিরোধ রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন মারুফ। পরে নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলকে ‘ভারতীয় দালাল দল’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তবে মারুফের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেল। তার ভাষ্য, রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে ‘কুরুচিপূর্ণ’ পোস্ট দেওয়ার পর মারুফকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নোটিশের যথাযথ জবাব না দিয়ে তিনি উল্টো জেলা ছাত্রদলের বিরুদ্ধে অবমাননাকর ও বিদ্বেষমূলক পোস্ট দেন। এ কারণে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ