আমেরিকা চায় ইরান স্বাভাবিক দেশের মতো আচরণ করুক বলে মন্তব্য করেছেন আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জে. ডি. ভ্যান্স।
তিনি বলেন, এমন শর্তের ভিত্তিতেই ওয়াশিংটন-তেহরান সমঝোতা স্মারকলিপি এগোচ্ছে।
সোমবার (১৫ জুন) সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, চুক্তির শর্তগুলো মানলে ইরান ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক সুবিধা পাবে। এর মধ্যে রয়েছে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত ত্যাগ করা, সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর অর্থায়ন বন্ধ করা এবং দেশটিকে বিনিয়োগবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাই তারা সফল একটি দেশ হোক, তবে শর্ত হলো—তাদেরকে দীর্ঘমেয়াদে পারমাণবিক অস্ত্র না তৈরির প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।’
চুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ভ্যান্স ইউরেনিয়াম মজুতের বিষয়টি উল্লেখ করেন। তার ভাষ্য, চুক্তি অনুযায়ী ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) ও আমেরিকার তত্ত্বাবধানে ধ্বংস করা হবে।
তিনি দাবি করেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়কার ইরান পারমাণবিক চুক্তি বর্তমান অবস্থার সঙ্গে তুলনাযোগ্য নয়।
ভ্যান্স বলেন, ওই চুক্তি কার্যত ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে ‘গতিশীল করে তুলেছিল’ এবং তাদের অর্থনৈতিকভাবে প্রণোদনা দিয়ে কার্যক্রম সীমিত করার চেষ্টা করা হয়েছিল।
২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন, রাশিয়া, জার্মানি ও ইরানের মধ্যে একটি বহুপক্ষীয় চুক্তি, যার লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত রাখা।
ভ্যান্স আরও দাবি করেন, বর্তমান প্রশাসনের অবস্থান ভিন্ন। ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ‘বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে’ এবং এখন তাদের দীর্ঘমেয়াদে এটি পুনর্গঠন না করার অঙ্গীকার করতে হবে—এর বিনিময়ে তারা আন্তর্জাতিক সুবিধা পাবে।











