স্বাধীনতা দিবসের ভাষণে বাঙালি মুসলিমদের বিরুদ্ধে মিশন শুরুর ঘোষণা দিলেন ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
শনিবার (১৬ আগস্ট) মুসলিম মিররের এক প্রতিবেদনে একথা জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে বিতর্কিত ও উসকানিমূলক ভাষণ দিয়েছেন দেশটির উগ্র হিন্দুত্ববাদী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কথিত অবৈধ অভিবাসনের কথা উল্লেখ করে একে ভারতের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পরিবর্তনের একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র বলে সতর্ক করেন। বিশেষত, বাঙালি মুসলিমদের বিরুদ্ধে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন জনসংখ্যাতাত্ত্বিক মিশন শুরুর ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, “আজ, আমি জাতির জনসংখ্যা পরিবর্তনের একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জাতিকে সতর্ক করতে চাই, যার বীজ ইতিমধ্যেই বপন করা হয়ে গেছে।”
ভারতের বাঙালি মুসলিমদের তিনি বাংলাদেশী ও অনুপ্রবেশকারী দাবী করে বলেন, “এই অনুপ্রবেশকারীরা আমাদের বোন ও কন্যাদের ফাঁদে ফেলছে। আদিবাসীদের বিভ্রান্ত করছে। তাদের জমি চুরি করছে। যা সহ্য করা উচিত নয়।”
সীমান্তবর্তী অঞ্চলে জনসংখ্যার পরিবর্তন একটি জাতীয় সমস্যা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমি এতদ্বারা একটি উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন জনসংখ্যাতাত্ত্বিক মিশন শুরু করার ঘোষণা দিচ্ছি, যা এই বিপদ মোকাবেলা করবে। দেশকে অনুপ্রবেশকারীদের সোপর্দ করে দেওয়া উচিত হবে না।
তার এমন মন্তব্য দেশটিতে তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ বেশ কয়েকজন রাজনীতিবিদ অভিযোগ করেছেন যে, উগ্র হিন্দুত্ববাদী বিজেপির সরকার বাংলাদেশী বিরোধী অভিযানের ব্যানারে বাংলাভাষী মুসলিম ও অভিবাসী শ্রমিকদের অবৈধভাবে নিশানা বানাচ্ছে। দেশের বহুজাতিক সম্প্রীতি নষ্ট করছেন। এতে ফাটল ধরানোর চেষ্টা করছেন।











